সংবাদ শিরোনাম

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ৪, আহত ১৯ | বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ঠেকানোর কোনও শক্তি নেই, প্রতিষ্ঠিত হবেই: হানিফ | একদিনে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু | বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ | আগামীকাল বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী | জিনের আছর ভর করেছিল, ১৭ দিনের শিশু হত্যার দায় স্বীকার করলেন মা | রংপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে পুলিশ সদস্য আটক | বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে অনাহুত বিতর্কের ভিন্ন উদ্দেশ্য থাকতে পারে: কাদের | দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে ভারত সরাসরি জড়িত: ডা. জাফরুল্লাহ | পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের দ্রুত আরোগ্য কামনা ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর |

  • আজ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে বাড়েনি সেবার মান

৫:২৫ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২০ রংপুর
hili

হিলি প্রতিনিধিঃ গেল কয়েক বছর ধরে হিলি স্থলবন্দরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্র অর্জিত না হলেও চলতি অর্থ বছরের প্রথম তিন মাসে লক্ষ্য মাত্রার তিন গুন রাজস্ব অদায় করেছে হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

রাজস্ব আদায়ের এই সফলতাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, বন্দরটিকে আধুনিকায়ন করা হলে রাজস্ব আদায়ে পরিমান যেমন বাড়বে তেমনি প্রসার হবে এখানকার ব্যবসা-বানিজ্যে।

করোনার কারনে দীর্ঘ আড়াই মাস থাকার পর গত ৮ই জুন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি পুনরায় শুরু হয়। প্রথম দিকে সিমিত পরিসরে আমদানী-রফতানি চালু হলেও এখন তা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বন্দর ফিরে পেয়েছে তার কর্মচা ল্যতা। তবে আগের তুলনায় রাজস্ব আদায় বাড়লেও বাড়েনি এখানকার সেবার মান।

হিলি স্থল বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, বন্দরের রাস্তাঘাট খানাখন্দে ভরা, দীর্ঘদিনেও গড়ে উঠেনি কোন ট্রাক টার্মিনাল। এতে করে রাস্তার দু’পাশে দাড়িয়ে থাকতে হয় পণ্য নিতে আসা ট্রাক গুলো। ফলে সৃষ্টি হয় যানজট, সমস্যায় পরতে হচ্ছে পথচারীদের।

হিলি কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার জানান, গেলো তিন (আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর) মাসে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৬০ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। যা গত বছরের তুলনায় তিনগুন বেশি আদায় হয়েছে। রাজস্ব আদায়ের এই ধারা অব্যাহত থাকলে লক্ষমাত্রর চেয়ে আরও বেশি রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত হতে সব ধরনের পণ্য আনার সুযোগ রয়েছে। তবে বর্তমানে ভারত হতে বিভিন্ন প্রকার পাথর, খৈল, ভুট্রা, জিরাসহ বিভিন্ন প্রকার পণ্য আসছে।