🌏 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
  • f

আমিই প্রথম, তবে শেষ না: কমলা হ্যারিস

⏱ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন | রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২০ 📂 আন্তর্জাতিক
kamala-harris

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেট প্রার্থী জো বাইডেন। মোট ৫৩৮টি ইলেকটোরাল ভোটের মধ্যে ২৮৪ পেয়ে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। বাইডেনের রানিংমেট কমলা হ্যারিস।

ভারতীয় বংশদ্ভূত মা এবং জামাইকান বংশদ্ভূত পিতার কন্যা কমলা প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ও প্রথম দক্ষিণ-এশিয় নারী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার (৭ নভেম্বর) বিজয়ী ভাষণ দেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার সহযোদ্ধা ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা রাখায় মার্কিনিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। এই জয় এতো সহজ ছিল না বলেও জানান কমলা।

ভাষণে বলেন, নতুন নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ নতুন যুগের সূচনা করেছেন।

বিজয়ী ভাষণে সমর্থকদের উদ্দেশে এই নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, এর আগে কখনো মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের পদে নারী বসতে পারেননি। তবে ঐতিহাসিক ফলাফলে আমিই এই পদের প্রথম নারী, তবে শেষ না।

কমলা একজন আমেরিকান রাজনীতিক ও আইনজীবী। ডেমোক্রেট দলের সদস্য। ২০১৭ সাল থেকে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ায় সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ১১ আগস্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রানিংমেট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন জো বাইডেন। সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বে আলোচনায় নতুন করে উঠে আসেন তিনি।

হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি এন্ড দ্য ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, হ্যাস্টিংস কলেজ অব দ্য ল থেকে গ্রাজুয়েশন করেছেন কমলা হ্যারিস। ১৯৯০ সালে তিনি বার পাস করেন। এরপরই তিনি আলমেডা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট এটর্নির অফিসে ক্যারিয়ার শুরু করেন।

এরপর তাকে কাজ দেয়া হয় সান ফ্রান্সিসকো ডিস্ট্রিক্ট এটর্নির অফিসে। সেখান থেকে সান ফ্রান্সিসকো সিটি এটর্নির অফিসে। ওকল্যান্ডে সহকারি ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কমলা হ্যারিস দৃষ্টি দেন যৌন অপরাধের দিকে। আলমেডাতে তিনি টিনেজ পতিতাবৃত্তির বিরুদ্ধে দমনপীড়ন চালান।

২০০৩ সালে তিনি সান ফ্রান্সিসকোর ২৭তম ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ২০১১ সাল পর্যন্ত সেখানে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে অল্প ভোটের ব্যবধানে তিনি ক্যালিফোর্নিয়াতে এটর্নি জেনারেল নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে আবার নির্বাচিত হন। ক্রাইম বিরোধী নীতির কারণে তিনি ব্যাপক সমালোচনা সয়েছেন।

ক্যালিফোর্নিয়ায় এটর্নি জেনারেল হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়ার পর ২০১৬ সালের নভেম্বরে কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রে সিনেটর পদে নির্বাচন করেন এবং পরাজিত করেন লরেটা সানচেজকে। এর মধ্য দিয়ে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার তৃতীয় নারী সিনেটর হন। একই সঙ্গে এর মধ্য দিয়ে তিনি আফ্রিকান-আমেরিকান নারী এবং প্রথম সাউথ এশিয়ান-আমেরিকান হিসেবে সিনেটে দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য ডেমোক্রেট দল থেকে প্রচারণা চালান। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি ফ্রন্টরানার হয়ে ওঠেন। কিন্তু পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবের কথা বলে প্রচারণা থেকে সরে যান। পরে জো বাইডেন তাকে রানিংমেট হিসেবে বেছে নেন।