🕓 সংবাদ শিরোনাম

মানিকগঞ্জে কৃষিজমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়, ভাঙছে ফসলি জমির পাড়মঙ্গলবার থেকে ৭ জেলায় কঠোর লকডাউনবিএনপির এমপির কাছে খালেদার চেয়েও পরীমনির গুরুত্ব বেশি: তথ্যমন্ত্রীগৌরনদীতে জালভোট দেওয়া নিয়ে কেন্দ্রে সংঘর্ষ, নিহত ১সুনামগঞ্জে হিন্দুদের বাড়িতে হামলা: প্রধান আসামি সেই স্বাধীনের জামিনভালুকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় ট্রাকের চালকসহ নিহত ৩বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির দুর্ধর্ষ কাহিনি প্রকাশব্যবসায়ীর হাত-পা বেঁধে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন তারাইউপি নির্বাচন: ভোলায় সংঘর্ষ ও গোলাগুলি, নিহত ১টাঙ্গাইলে একদিনে রেকর্ড ১৬৫ জন করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ১

  • আজ সোমবার, ৭ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২১ জুন, ২০২১ ৷

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে আলাদা করে যারা দেখেছে, তারা ব্যর্থ: রাষ্ট্রপতি

hamid
❏ সোমবার, নভেম্বর ৯, ২০২০ স্পট লাইট

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশকে জানতে হলে, বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে হবে, বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। এই দুই সত্তাকে আলাদাভাবে দেখার চেষ্টা যারা করেছেন, তারা ব্যর্থ হয়েছেন। আজকের বাস্তবতা এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ-২০২০’ উপলক্ষে সোমবার জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে দেয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নাম নয়। বঙ্গবন্ধু একটি প্রতিষ্ঠান, একটি সত্তা, একটি ইতিহাস। জীবিত বঙ্গবন্ধুর মতই অন্তরালের বঙ্গবন্ধু শক্তিশালী। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, বাঙালি থাকবে, এদেশের জনগণ থাকবে, ততদিন বঙ্গবন্ধু সকলের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের ‘মুক্তির আলোকবর্তিকা’ হয়ে বঙ্গবন্ধু বিশ্বকে করেছেন ‘আলোকময়’। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে বঙ্গবন্ধুর নীতি, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বেড়ে উঠতে পারে, সে লক্ষ্যে সকলকে উদ্যোগী হতে হবে।

যারা মানুষকে ‘বিভ্রান্ত করে’, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ঐক্য। জনগণের ঐক্য, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ঐক্য। যে ঐক্য একাত্তরে আমাদেরকে এক করেছিল, সেই ঐক্যই গড়ে তুলতে হবে সাম্প্রদায়িকতা, অগণতান্ত্রিকতা, অসহিষ্ণুতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে পরমত সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, যারা বাস্তবকে অস্বীকার করে কল্পিত কাহিনী ও পরিস্থিতি বানিয়ে দেশের সরলপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত ও বিপথগামী করে দেশের শান্তি ও অগ্রগতির ধারাকে ব্যাহত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে একাত্তরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই প্রতিষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, সার্থক হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন।

‘মুজিববর্ষ’ পালনের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে এবং বিশেষ অধিবেশন আয়োজনের জন্য স্পিকার ও জাতীয় সংসদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। এ অধিবেশনের কার্যক্রম বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিশেষ এ অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৯০ জনের মত সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন না। তবে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের উপস্থিত ছিলেন।