‘নূর হোসেন বাঙালির মনে সংগ্রামের অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে দিয়েছিল'- কাদের

১২:২০ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, নভেম্বর ১০, ২০২০ ঢাকা
kader

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ আজ (১০ নভেম্বর) শহীদ নূর হোসেন দিবস। ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগঠিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত নূর হোসেনের শরীর জীবন্ত রাজনৈতিক পোস্টার ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, শহীদ নূর হোসেন বাঙালির মনে সংগ্রামের অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে দিয়েছিল। মঙ্গলবার শহীদ নূর হোসেন দিবসে রাজধানীর গুলিস্তানে নূর হোসেন চত্বরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নূর হোসেন সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একজন সাহসী বীরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। নূর হোসেন নিজের বুকে পিঠে লিখেছিলেন, স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। তার শরীর ছিল জীবন্ত রাজনৈতিক পোস্টার।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে না পারলে, ৩০ লাখ শহীদের আকাঙ্ক্ষার অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল, উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে, সত্যিকারের গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।’

বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের পৃষ্ঠপোষকতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ভাবাআদর্শকে ধারণ করে যে রাজনৈতিক দলের জন্ম তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না। তাদের কাছে গণতন্ত্র ছিল, হা এবং না ভোটের গণতন্ত্র। যে ভোটে না বাক্স ছিলই না। সেদিন কোনো কোনো কেন্দ্রে ১১০ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তাদের গণতন্ত্র কারফিউ গণতন্ত্র। গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পথে বিএনপি প্রধান অন্তরায়।’

তিনি আরও বলেন, বিএনপিকে আহ্বান জানাই, গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসুন। রাজনীতির ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসুন। গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার চক্রান্ত থেকে বেরিয়ে আসুন। ষড়যন্ত্র আর পেছনের দরজা দিয়ে আপনারা ক্ষমতা দখলের অপরাজনীতি পরিহার করুন।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ দিন দিন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াচ্ছে। শেখ হাসিনা সরকার দেশের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।