• আজ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সীমিতভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানাল মন্ত্রণালয়

⏱ ১১:৩৮ অপরাহ্ন | বুধবার, নভেম্বর ১১, ২০২০ 📂 শিক্ষাঙ্গন
sikkha

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়।

করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ সীমিতভাবে খোলার যে সংবাদগুলো প্রকাশ করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মন্ত্রণালয় বলেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিসংক্রান্ত বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে।

এর আগে, এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, ‘আমরা এ মাসের ১৪ তারিখ (১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) বন্ধ রেখেছি। ১৫ তারিখ থেকে খুলবে কি না, নাকি এই ছুটিটি আরও বাড়বে, নাকি কোনো কোনো ক্লাসের জন্য আমরা সীমিত আকারে শুরু করতে পারব- এ সমস্ত বিষয়গুলো নিয়ে এখনও কাজ করছি। ১৪ তারিখের আগে চেষ্টা করব আপনাদের (গণমাধ্যম) জানিয়ে দিতে। কারণ ১৪ তারিখের আগে তো আমাদের একটা সিদ্ধান্ত দিতেই হবে। কাল বা পরশুর মধ্যে আমাদের একটা সিদ্ধান্ত জানাতেই হবে’।

দীপু মনি বলেন, ‘সংকটের মধ্যেও আমরা পড়াশোনাকে চালিয়ে নিতে পেরেছি, চালিয়ে যাচ্ছি, অবশ্যই এটি আমাদের কোনো আদর্শ পরিস্থিতি নয়। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তার মধ্যে আমরা চেষ্টা করছি। এই চেষ্টাটি চালিয়ে যেতে হবে, এটিকে আরও কত ভালো করা যায়, কারণ করোনা কতদিনে যাবে, কতদিনে সত্যিকার অর্থে আমরা আসলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পুরোপুরি খুলে দিতে পারব, সে বিষয়গুলো কিন্তু এখনও বেশি অনিশ্চিত। সামনেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আছে, সেগুলো নিয়েও আমরা বিভিন্নভাবে ভাবছি, যে কী করে তাদের পরীক্ষার আগে তাদের সিলেবাস কী করে পুরোপুরি শেষ করতে পারে, এসব নানান জিনিস আমরা ভাবছি’।

শিক্ষামন্ত্রী এই বক্তব্যের পরে দেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে খুলে দেয়ার চিন্তা করছে। শিক্ষামন্ত্রীর কথায় এমন আভাস পাওয়া গেছে। তার পরপরই সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেখা দেয় বিভ্রান্তি।

উল্লেখ্য গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির সময় বাড়ানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে প্রাথমিকের সমাপনী, জেএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাও।