বগুড়ায় সিএনজি ধরতে এসে তোপের মুখে হাইওয়ে পুলিশ : মহাসড়ক অবরোধ

৬:১৪ অপরাহ্ন | শুক্রবার, নভেম্বর ১৩, ২০২০ রাজশাহী
Bogura

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা, বগুড়া প্রতিনিধি: ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের মহিপুর এলাকায় থ্রি-হুইলার অটোরিক্সা(সিএনজি) ধরার সময় তোপের মুখে পরে জীবন রক্ষার্থে সিএনজি রেখেই পালালেন শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের কনস্টেবল রেজওয়ান।

এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনগণ মহাসড়ক অবরোধ করে এবং থ্রি-হুইলার মহাসড়কে চলাচলের দাবি করে। প্রায় ৫০ মিনিট মহাসড়ক অবোরোধ থাকায় ৪ কিলোমিটার রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। ১৩ নভেম্বর শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের মহিপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানাযায়, ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের জন্য কঠোর অবস্থান নেয় শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্প। মহাসড়কে থ্রি-হুইলার (সিএনজি) চলাচলের সময় শেরুয়া বটতলা এলাকা থেকে একটি অটো ভ্যান আটক করে গাড়িদহ হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছিল। মহিপুর এলাকায় পৌছালে বগুড়া থেকে শেরপুর গামী একটি সিএনজি মহিপুর সামিট স্কুলের সামনে হাইওয়ে পুলিশকে দেখে ভিতরের রাস্তায় যায়। এ সময় কনস্টেবল সিএনজিটি ধরতে গিয়ে পথচারী বেলাল হোসেনকে ধাক্কা দেয়। সিএনজিকে ধরতে কনস্টেবল রেজওয়ান এগিয়ে গেলে এলাকার লোকজন পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে।

হাইওয়ে পুলিশ রেজওয়ানের হেলমেটে ইট লেগে হেলমেট ভেঙ্গে যায় এবং জনগনের তোপের মুখে পড়ে জীবন রক্ষার্থে সিএনজি রেখে সেখান থেকে সে পালিয়ে যায়।

মহিপুর এলাকার যুবক হাসান মাহমুদ ও রেজাউলসহ স্থানীয়রা দাবি করেন, হাইওয়ে পুলিশ রেজওয়ানের মোটরসাইকেলের সঙ্গেই ধাক্কা লেগে পথচারী বেলাল আহত হয়। সেখানে তাকে সাহায্য না করে সিএনজি ধরতে যায়। তাই বিক্ষুদ্ধ জনগন তার দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে রাস্তা অবরোধ করে।

হাইওয়ে পুলিশ রেজওয়ান জানান, আমি সিএনজি ধরতে যাইনি আমাকে দেখে পালানোর সময় পথচারীকে ধাক্কা দেয় আমি সেখানে দেখতে গেলে বিক্ষুদ্ধ জনগন আমার উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। জীবন রক্ষার্থে আমি পালিয়ে আসি। এ ঘটনায় শেরপুর থানা পুলিশ, ট্রাফিক ফাঁড়ি, ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের এসআই আশরাফুল ইসলাম জানান, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ ব্যাপারে শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা রাস্তা অবরোধের কথা শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি।