সংবাদ শিরোনাম

একদিনে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু | বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ | আগামীকাল বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী | জিনের আছর ভর করেছিল, ১৭ দিনের শিশু হত্যার দায় স্বীকার করলেন মা | রংপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে পুলিশ সদস্য আটক | বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে অনাহুত বিতর্কের ভিন্ন উদ্দেশ্য থাকতে পারে: কাদের | দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে ভারত সরাসরি জড়িত: ডা. জাফরুল্লাহ | পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের দ্রুত আরোগ্য কামনা ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর | আ.লীগে যোগ দিলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি পোড়ানো মামলার প্রধান আসামি | চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের ভূমি অফিস: ঘুষ ছাড়া নড়েনা ফাইল! |

  • আজ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসা শেষে আবারো রিমান্ডে এসআই আকবর

৮:০৮ অপরাহ্ন | শনিবার, নভেম্বর ১৪, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
akber

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া শুক্রবার সন্ধ্যার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে রাত ৯টার দিকে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুনরায় তাকে নিয়ে যায় পিবিআই।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওসমানী হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ফারুক আহমদ। তিনি বলেন, এসআই আকবর অসুস্থ হলে তাকে ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে পিবিআই। সেখানে চিকিৎসা শেষে তাকে পুনরায় নিয়ে যাওয়া হয়। সাত দিনের রিমান্ড শেষে আগামী মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে।

এর আগে সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে খাসিয়াদের সহযোগিতায় বরখাস্ত এসআই আকবর হোসেনকে কানাইঘাটের ডোনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের হাতে তুলে দেয় ভারতীয় খাসিয়ারা। খবর পেয়ে পোশাকে-সাদা পোশাকে পুলিশ ঘটনাস্থল ডোনা সীমান্ত এলাকা পৌঁছলে জনতা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এরপর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আকবরকে সিলেটে আনা হলে সন্ধ্যায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

গত ১১ অক্টোবর ভোর রাতে রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করা হয়। পরে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়।

‘রায়হান ছিনতাইকালে গণপিটুনিতে মারা গেছেন’ পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হলেও নিহতের পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ ছিল পুলিশ ধরে নিয়ে ফাঁড়িতে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরিবারের অভিযোগ ও মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের তদন্ত দল ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যুর সত্যতা পায়। এতে জড়িত থাকায় ইনচার্জ আকবরসহ চার পুলিশকে বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।

বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন- বন্দরবাজার ফাঁড়ির কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটু চন্দ্র দাস। প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেন। ঘটনার পর অন্য ছয়জন পুলিশ হেফাজতে থাকলেও আকবর পলাতক ছিলেন।