ত্রিশালে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক: আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী! 

১০:৫৮ অপরাহ্ন | শনিবার, নভেম্বর ১৪, ২০২০ ময়মনসিংহ
Rape cash

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন আবু হাসান শাহরিয়ার সুমন নামের এক যুবক। পরে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ওই কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সুমন রাজি হননি। সেই কিশোরী এখন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় উপায় না দেখে থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন ওই কিশোরীর বাবা। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায়।

গত ৬ অক্টোবর কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ত্রিশাল থানায় মামলাটি করেন। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।

অভিযোগ রয়েছে, প্রেমের সম্পর্কের পর ওই কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন পাশের এলাকার সুমন। এ ঘটনায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয় ওই কিশোরী। পরে বিয়ের জন্য চাপ দেয় কিশোরীর পরিবার। কিন্তু সুমন এতে রাজি হননি। কয়েকদিন আগে পরীক্ষা করে দেখা যায়, ওই কিশোরী আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ওই ঘটনায় বিচারের জন্য ত্রিশাল থানায় মামলা করলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ কিশোরীর বাবার।

কিশোরীর বাবা বলেন, ‘মেয়ের সবকিছু জানবার পরে আঙ্গর চেয়ারম্যান, গেরামের মুরুব্বি গরে জানাইছি। হেগোর অনেক ক্ষমতা, টেকা দেওয়া সবার মুক বন্ধ কইরা দেয়। আমি এক মাস আগে থানায় মামলা করছি। অহনো পুলিশ ওই পোলারে ধরবার পারে নাই। আর ধরবার পাইলে বুলে কি টেস করাইবো। ওইনো যুদি টেহা দেআ উল্ডাপাল্ডা করইরা ফেলা, তহন আমার ছেরির কি ওইবো।’

তবে সুমনের বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে ওই প্রেমের সম্পর্ক হয়নি। জিদ করে আমার ভাইয়ের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’

এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ‘আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে ধরতে সক্ষম হবো।’