টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবতীর মৃত্যু ও স্বর্ণ কারিগরের মরদেহ উদ্ধার

৯:০৩ অপরাহ্ন | সোমবার, নভেম্বর ১৬, ২০২০ ঢাকা
mrittu

অন্তু দাস হৃদয়, স্টাফ রিপোটারঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরের গোখাদ্য (খড়) আনতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে বিএ অনার্স পড়ুয়া এক যুবতীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবতী আতিয়া আক্তার (২৩) দুপটিয়া গ্রামের আদর আলীর মেয়ে। সে মানিকগঞ্জের একটি কলেজে বি এ অনার্স এ অধ্যায়নরত।

অপর দিকে একই উপজেলার বাবনাপাড়া গ্রাম থেকে স্বপন কর্মকার (৫১) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, (১৬ নভেম্বর) সোমবার ভোরে নিজ বাড়িতে গো-খাদ্য (খড়) আনতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যায় আতিয়া আক্তার (২৩)। ভোরে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া এক সৌখিন মৎস শিকারী খড়ের গাদার সামনে তাকে পরে থাকতে দেখে সবাইকে খবর দেয়। খবর পেয়ে তার পরিবার ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে এসে সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

আতিয়ার বাবা আদর আলী বলেন, খড়ের গাদার উপর একটি তাঁজা বাঁশ পড়েছিলো, যেটি খড়ের গাদার উপড় দিয়ে টানানো বিদ্যুতের তারের সাথে সংযোগ হয়েছিলো। যা বাড়ির কেউ খেয়াল করেনি। ওই বাঁশটি সড়িয়ে খড় আনতে গিয়েই আতিয়া বিদ্যুতায়িত হয়।

আতিয়ার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেহেনা খান ও কবির হোসেন। তারা জানান, আতিয়া ছোটবেলা থেকেই খুব ভালো ছাত্রী ছিলো। তার এই অকাল মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না।

এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু দায়ের হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিছুর রহমান আনিস।

অপরদিকে, একই উপজেলার বাবনাপাড়া গ্রাম থেকে প্লাস্টিকের রশি পেঁচানো স্বর্ণ কারিগর স্বপন কর্মকার (৫১) এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত স্বপন কর্মকার ওই গ্রামের প্রয়াত দিনেশ কর্মকারের ছেলে।

পুলিশ জানায়. আজ সকালে তার দোকানে লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। নিহতের গলায় ও শরীরে প্লাস্টিরে রশি পেঁচানো ছিল।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিছুর রহমান আনিস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।