• আজ সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৪ জুন, ২০২১ ৷

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস

songsod
❏ মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৭, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০২০’ পাস হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেসা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে বিলটি উপস্থাপন করেন। পরে সেটি সংসদ সদস্যদের কণ্ঠ ভোটে পাস হয়।

গত ১৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করেন। এর আগে ১২ অক্টোবর অধ্যাদেশটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয়।

বিলটি পাসের প্রক্রিয়া চলার সময় জাতীয় পার্টি (জাপা), বিএনপি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাব তুলে খসড়া আইনটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

বিএনপির হারুনুর রশীদ বলেন, ‘ইসলাম ব্যভিচারকে হারাম করেছে। ধর্ষণ সব অপরাধের চেয়ে গুরুতর। শাস্তি কঠোরতর। ইসলামি ফাউন্ডেশন, আলেমদের মতামত নেওয়া দরকার ছিল। আইন করতে যাচ্ছি। অর্ডিন্যান্স জারির পর আজকের পত্রিকায় আছে ধর্ষণ হচ্ছে। মৃত্যুদণ্ড বাড়িয়ে ধর্ষণ প্রতিরোধ হবে না। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি—ধর্ষণের পথ বন্ধ করতে গেলে ইলিগ্যাল সেক্সুয়াল রিলেশন অপরাধের মধ্যে আনতে হবে।’

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, ‘অত্যন্ত ভালো ও জরুরি আইন। কিন্তু আইনে ব্যত্যয় ঘটেছে। অর্ডিন্যান্স যখন আইন হয়—তখন হুবহু বিলটা হতে হয়। কিন্তু কমিটি থেকে ঘুরে এসে কীভাবে সংশোধনী… সেটা মূল আইনের সংশোধনী। অর্ডিন্যান্স আইন হলে হুবহু হবে। সংশোধন আনতে হলে পরে আনতে হবে।’

স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু বলেন, ‘আল্লামা আহমদ শফীকে তেঁতুল হুজুর বানানো হয়েছে। তো সেই তেঁতুল তত্ত্বের যদি প্রচলন করা যায়, তবে ধর্ষক বাড়বে না। নারীবাদীরা সবকিছু উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন। এজন্য কঠোর আইন করার আগে ধর্ষণ যাতে না বাড়ে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।’