কুড়িগ্রামে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে গোপনে নিয়োগের চেষ্টা, আদালতে মামলা

২:০০ অপরাহ্ন | বুধবার, নভেম্বর ১৮, ২০২০ রংপুর

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ দারুস সুন্নত ফাজিল(স্নাতক)মাদ্রাসায় মেয়াদ উত্তীর্ণ অবৈধ কমিটির মাধ্যমে গোপনে একজন উপাধ্যক্ষ,একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও একজন আয়া পদে নিয়োগের জন্য একটি অখ্যাত পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে। এবং পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচারের দিন ওই পত্রিকার সব কপি কুড়িগ্রাম থেকে গায়েব হয়ে যায়।

খবরটি জানতে পেরে নব নির্বাচিত কমিটির দুইজন অবিভাবক সদস্য মোঃ শাহ আলম ও মোঃ আব্দুল মোতালেব কুড়িগ্রাম জজর্কোট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১১৪/২০ইং।

মামলা সুত্রে জানা যায়, পুর্ব কমিটি গঠিত হয় ২৩/৪/১৭ইং তারিখে। মেয়াদ শেষ হয় ২২/৪/২০ই। নিয়মানুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০দিন আগে নতুন কমিটি গঠন করতে হয় । সেই মোতাবেক গত ৩/২/২০ইং তফসিল ঘোষনা করা হয় এবং ২৫/২/২০ইং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবং উপজেলা যুবউন্নয়ন প্রিজাইডিং অফিসার ফলাফল ঘোষনা করেন। বিধি মোতাবেক নির্বাচন হওয়ার ৩০দিন পর পুর্বের কমিটি বিপুপ্তি হয়। বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্টান ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভনিং বডিতে স্নাতক পাশ ছাড়া কমিটির সভাপতি হতে পারবেন না।

উল্লেখ্য,মেয়াদ মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি স্বশিক্ষিত। তাই গোপনে তাড়াহুড়া করে একজন উপাধ্যক্ষ,একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও একজন আয়া পদে নিয়োগে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য নতুন কমিটিকে না জানিয়ে গোপনে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালায় ।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্য মোঃ শাহ আলম ও মোঃ আব্দুল মোতালেব জানান,পুর্বের কমিটি গত তিন বছরে অধ্যক্ষসহ ১৪জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ৭০/৮০ লক্ষ টাকা বানিজ্য করেছে । মাদ্রাসার কোন উন্নয়ন করেননি। সেই লুটেরা কমিটি আবার গোপনে নিয়োগ বানিজ্য করার কৌশল নিয়েছে । তাই মাদ্রাসার স্বার্থে আমরা মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।

মামলার কারনে নিয়োগ আপাতত বন্ধ আছে ।এ প্রসঙ্গে মতামত জানতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাহিদুল ইসলামকে তার মুঠোফোন নং ০১৭১৭৭৪০৫৬৬ বহুবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি ।