বেলকুচিতে আ.লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫

৮:১৪ অপরাহ্ন | শনিবার, নভেম্বর ২১, ২০২০ রাজশাহী
uzzal

উজ্জ্বল অধিকারী, বেলকুচি প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত আহত হয়েছে উভয় পক্ষের ১৫ জন নেতাকর্মী।

শনিবার (২১ নভেম্বর) সকালে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সময় ইট পাটকেল ককটেল বিস্ফরনের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ টিয়ারসেল গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বেলকুচি উপজেলা আ'লীগের উদ্যোগে বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়।

পরে এ সভা শুরু হলে বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেলকুচি পৌর মেয়র প্রার্থী সাজ্জাদুল হক রেজার সমর্থক ও বর্তমান মেয়র বেগম আশানুর বিশ্বাসের সমর্থকের দুই গ্রুপের মধ্য ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের কারণে উভয় পক্ষের সমর্থক আ'লীগের নেতা কালাম, শ্রমিকলীগের নেতা হাফিজুর, ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল, সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা রফিকুল, শফিকুল, লিখন, ছাত্রলীগ নেতা ফেরদৌসসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। ‌

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলকুচি উপজেলার আ'লীগের কার্যালয়ে সকাল ১১ টায় বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুর দিকেই বেলকুচি মেয়র বেগম আশানুর বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি মিছিল বর্ধিত সভার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় মিছিলটি পুলিশ বাধা দেয়।

পরে বেলকুচি মেয়র প্রার্থী সাজ্জাদুল হক রেজার সমর্থকরা রাস্তার উপরে দাড়িয়ে ছিল ও আশানুর বিশ্বাসের সমর্থকদের দু’গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

এবিষয়ে বর্তমান মেয়র বেগম আসানুর বিশ্বাস বলেন, আমি নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে বর্ধিত সভায় যোগদান করতে কার্যালয়ের কাছাকাছি আসলে রেজা গ্রুপের লোকজন আমার নেতা কর্মীদের উপর ঢিল ছুরতে থাকে ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং হামলা চালায় আর এই হামলায় আমার ৭জন কর্মী আহত হয়।

বেলকুচি উপজেলার সাবেক আওয়ামী যুবলীগের আহব্বায়ক সাজ্জাদুল হক রেজা জানান, আমি আসন্ন বেলকুচি পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী। এর জের ধরে মেয়র আশানুর বিশ্বাসের লোকজন আমার সর্মথকদের উপর হামলা করেছে। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহিনুর কবির জানান, দু’পক্ষের মাঝে মৃদু উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে ৬ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করা হয়। দু'পক্ষের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এ ঘটনায় এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।