কাল মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করবেন বাইডেন

◷ ১২:৫৩ অপরাহ্ন ৷ সোমবার, নভেম্বর ২৩, ২০২০ আন্তর্জাতিক
বাইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিতে যাওয়া জো বাইডেন মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী এবং বর্ষীয়ান কূটনৈতিক অ্যান্টনি ব্লিঙ্ককে দিতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনেও একই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

বাইডেন গত সপ্তাহে জানান, ইতিমধ্যে ট্রেজারার সেক্রেটারি ঠিক করে ফেলেছেন। এই দায়িত্ব পেতে পারেন জেনেট ইয়েলেন।

মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে দুই বাঙালিকে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং বিজ্ঞানী অরুণ মজুমদারকে জ্বালানিমন্ত্রী করা হতে পারে।

আইআইটি বোম্বের এই সাবেক শিক্ষার্থী এর আগে বারাক ওবামার আমলেও আন্ডারসেক্রেটারি অফ এনার্জি হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। অরুণের পাশাপাশি আরেক ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিবেক মূর্তিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।

গত ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন। যদিও এখনও আনুষ্ঠিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেননি ট্রাম্প।

এদিকে নির্বাচনে পরাজয়ের পর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প গত সপ্তাহজুড়ে মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে একের পর বোমা ফাটিয়েছেন। আর এতে হতভম্ব হয়েছেন তার শত্রু এবং মিত্র উভয়েই।

সিএনএন-এর খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউজ ছাড়া প্রায় নিশ্চিত হওয়ার পরও আগের মেয়াদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে বেপরোয়া পদক্ষেপ নিয়ে চলেছেন ট্রাম্প। তারই অংশ হিসেবে নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হয়ে ওঠার পর গত সপ্তাহে তিনি আফগানিস্তান থেকে বেশি পরিমাণ সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আফগান সরকারের আশঙ্কা, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমে গেলে দেশটিতে তালেবান আরও অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে।

সেনা কমানোর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্পের নিজ দলের কিছু নেতাও। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান অ্যাডাম কিনজিনজার ওই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটা পরবর্তী প্রশাসনকে বিপদে ফেলার একটি চেষ্টা।

ইরাকেও সেনা কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইরাকের উদ্বেগের কারণে কখন এবং কিভাবে সেনা কমানো হবে তা নিয়ে ইরাক সরকার ও সেখানে যৌথ বাহিনীর দায়িত্বে থাকা মার্কিন জেনারেলের মধ্যকার আলোচনার গতি ধীর হয়ে পড়েছে।