সংবাদ শিরোনাম

সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারনন্দীগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতারশাহজাদপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে প্রতিবন্ধী দম্পতিবাংলাদেশে পরীক্ষা চালানোর জন্য ২০ লাখ টিকা দিয়েছে ভারত: রিজভীফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২ স্কুলছাত্র নিহতযশোর সীমান্তে ১২ লাখ টাকার ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটকমধ্য প্রাচ্যের সবজি স্কোয়াশ চাষ হচ্ছে এখন নওগাঁর মাটিতেএসএসসির সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশচসিক নির্বাচনে সহিংসতার শঙ্কা ও উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে: মাহবুব তালুকদারহিলিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চাচা-ভাতিজা নিহত

  • আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখে পরিবারের সবাইকে হত্যা!

◷ ১১:৪৬ অপরাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
hotta

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ভারতীয় টিভি সিরিয়াল ‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখে নিজের ভাই, ভাবিসহ পরিবারের চারজনকে হত্যায় প্ররোচিত হন মোহাম্মদ রায়হানুল। এরপর কোমল পানীয় স্পিডের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ধারালো চাপাতি দিয়ে ‘ঘুমন্ত অবস্থায়’ তাদেরকে হত্যা করেন।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক।

গত অক্টোবরে কলারোয়ায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি রায়হানুলকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ঘটনার ১ মাস ৫ দিনের মাথায় রবিবার আদালতে মামলার চার্জশিট জমা দেয় সিআইডি।

সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক বলেন, গ্রেফতারকৃত রায়হানুল দীর্ঘদিন ফেনসিডিলের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ (ডিসোপেন-২) সেবন করতো। এক সময় ফেনসিডিলসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এবং জেলও খাটে। এরপর স্ত্রী ফাহিমার সঙ্গে তার ডিভোর্স হয়।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে রায়হানুল বেকার অবস্থায় ভাই ও ভাবির সংসারে থাকতে শুরু করে। ভাবি সাবিনা খাতুন মাঝে মধ্যে টাকার জন্য খারাপ আচরণ করত। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের বিচ্ছেদ ও বেকার জীবনে ভাবির দুর্ব্যবহারের কারণে এক সময় ভাই-ভাবিসহ পুরো পরিবারের সদস্যদেরই হত্যার পরিকল্পনা করে রাহানুর।

অতিরিক্ত ডিআইজি আরও বলেন, হত্যা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্থানীয় আবু জাফরের দোকান থেকে দুটি স্পিড (কোমল পানীয়) কিনে তার মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। ঘুমের ওষুধ মেশানো এ পানীয় সে তার ভাই, ভাবি, ভাতিজি ও ভাতিজাকে খেতে দেয়। তারা ঘুমিয়ে পড়লে গত ১৫ অক্টোবর রাত ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে প্রথমে ভাই এবং পরবর্তীতে ভাবিসহ ভাতিজি ও ভাতিজাকে হত্যা করে রাহানুর।

সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর রাহানুর হত্যার আলামত মুছে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু তার আগেই সিআইডি তাকে গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতিসহ রক্ত মাখা কাপড়।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ অক্টোবর দিবাগত রাতে (বৃহস্পতিবার) সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শাহিনুর ও তার স্ত্রী সাবিনা খাতুনসহ তাদের দুই শিশুকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরবর্তীতে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে তার ছোট ভাই রায়হানুলকে আটক করলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে।