প্রিয় বন্ধু ফিদেল কাস্ত্রোর মৃত্যুর দিনেই বিদায় নিলেন ম্যারাডোনা!

১১:১৯ পূর্বাহ্ন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২০ খেলা
ম্যারাডোনা

স্পোর্টস ডেস্ক- বয়সের পার্থক্য যাই হোক, দু’জনের বন্ধুত্বের কথা জানা ছিল সবার। আর্জেন্টিনার দিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনা আর কিউবার এক নায়ক ফিদেল ক্যাস্ত্রো- দু’জন ছিলেন একে অপরের জানের দোস্ত। ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন ম্যারাডোনা।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিজের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর দিনটিকেই নিজের বিদায়ের জন্য বেছে নিলেন দিয়েগো ম্যারডোনা! ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর, ৯০ বছর বয়সে কিউবার রাজধানী হাভানায় মৃত্যুবরণ করেন ফিদেল ক্যাস্ত্রো। ঠিক একই দিন, চার বছর পর নিজের বাড়ি, বুয়েন্স আয়ার্সের তিগ্রেতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করলেন ফুটবলের অবিসংবাধিত সম্রাট দিয়েগো ম্যারাডোনা।

দুই বিশ্ব সমাজতন্ত্র আর পুঁজিতন্ত্র। লড়াই চিরকালীন। এই লড়ইয়ের এক অধিনায়ক ফিদেল কাস্ত্রো, অপরজন ম্যারাডোনা ছিলেন তার সহযোদ্ধা। মনেপ্রাণে ফিদেল অনুরাগী- ফিদেলিস্তা। সময়ের কী আশ্চর্য সমাপতন, সেই ২৫ নভেম্বর প্রিয় ‘কমরেড’ ফিদেল মৃত্যু বরণ করেছিলেন। ম্যারাডোনাও বেছে নিলেন প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর দিনটিকে।

ফুটবলের জাদুকর ম্যারাডোনা দীর্ঘজীবন পেলেন না। তার মৃত্যু হল ৬০ বছর বয়েসেই। মাদকের গ্রাসের কারণে অনেকবারই নিরাময় কেন্দ্রে কাটাতে হয়েছে তাকে। ফিদেলের দেশ কিউবাতেও নিয়েছেন অনেক চিকিৎসা। তার দীর্ঘজীবন নিয়ে শঙ্কা তাই বরাবরই ছিল। ফিদেলের বিদায়ের দিন তিনি কেঁদেছিলেন। আজ তার বিদায়বেলায় ফিদেল এসব কিছুর ঊর্ধ্বে। হয়ত সেই ‘উর্ধ্বপানে’ তাদের ফের দেখা হচ্ছে বলে বিশ্বাসীদের মনে দিচ্ছে দোলাচল।

ফিদেলের কাছে ম্যারাডোনাকে বারবার যেতে দেখা গেছে। যে বা পা দিয়ে মোহাবিষ্ট করে রেখেছিলেন গোটা দুনিয়া। সেই পায়েই ম্যারাডোনা খোদাই করেছিলেন ফিদেলের ট্যাটু। আর হাতে করেছিলেন আর্নেস্টো চে গুয়েভারার ট্যাটু।

বাণিজ্যিক দাপটে খেলাধুলার জগতও এখন একটা ঘেরাটোপের মধ্যে চলে। দুনিয়া কাঁপানো ক্রীড়া সেলিব্রেটিরা সেকারণেই কোনও রাজনৈতিক বিষয়ে মত জানাতে থাকেন আড়ষ্ট। তাদের চলতে হয় কতগুলো নিয়মের মধ্যে। ম্যারাডোনা এসব তোয়াক্কা করতেন না। বাণিজ্যিক মোড়লদের চোখ রাঙানি এড়িয়ে ফিদেলের রাজনৈতিক মতাদর্শ অনেকবারই প্রচার করতে দেখা গেছে তাকে। ভুল হোক, ঠিক হোক ম্যারাডোনা তার চিন্তার জায়গায় ছিলেন স্পষ্টবাদী। রাখঢাক করতে দেখা যায়নি তাকে।

স্কিলের মুন্সিয়ানায় বিশ্বের সবচেয়ে রোমাঞ্চ ছড়ানো একজন ক্রীড়াবিদ তিনি। তবে ক্রীড়াবিদের পরিচয়ের গন্ডির বাইরে গিয়ে খেয়ালি, পরোয়া না করা চরিত্রের কারণে আলাদা হয়ে থাকবেন দিয়াগো। ফিদেলের চোখে, ‘ফুটবলের চে গুয়েভারা তিনি।’

২২ গজকে বিদায় বললেন ইউসুফ পাঠান

⊡ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১

তামিমা কার, ফয়সালা হবে আদালতে

⊡ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১

তামিমার তালাকের নোটিশ পায়নি ইউনিয়ন পরিষদ

⊡ বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২১

তামিমার মুখোশ খুলে দেবেন রাকিব

⊡ বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২১