সংবাদ শিরোনাম

গাজীপুর ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫০১ পিস ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার-২কক্সবাজার দুই উপজেলায় পানি সংকটে কৃষকদের হাহাকার, বাঁধ নির্মাণে নানা অনিয়মবেলকুচিতে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিংদম্পত্তির অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে জেলহাজতে ছাত্রলীগ সম্পাদকপদ্মা নদীতে ভ্রমণতরীর উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীসবকিছু ছবি তুলে ফেসবুকে দিতে হয় না : আজহারীজামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় হাসপাতাল ওয়ার্ড বয়ের মৃত্যুবাগেরহাটে হস্তান্তরের শেখ হাসিনার উপহার ৪৩৩টি ঘর পাবনায় মায়ের পান আনতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার কলেজ ছাত্রী !শেরপুরে ফাঁসিতে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা

  • আজ ৮ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে শিশু আব্দুল্লাহ হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

◷ ৮:২৩ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, নভেম্বর ২৯, ২০২০ খুলনা
যাবজ্জীবন

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মা-বাবার কোল থেকে তিন মাসের শিশু আব্দুলল্লাহকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আাদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৪৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

আজ রোববার দুপুরে বাগেরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. নূরে আলম আসামিদের উপস্থিতিতে এই আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেন হাওলাদারের ছেলে মো. হৃদয় ওরফে রাহাত হাওলাদার (২১), জসিম হাওলাদারের ছেলে মো. মহিউদ্দিন হাওলাদার (২২) এবং মো. আব্দুর রশিদ হাওলাদারের মো. ফয়জুল ইসলাম (২৯)।

মামলা সূত্রে জানা যায়- ২০১৯ সালের ১১ মার্চ ভোর রাতে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বিশারীঘাটা গ্রামে বা-মা’র শোবার ঘর থেকে তিন মাস বয়সী শিশু আব্দুল্লাহকে চুরি করে দুর্বৃত্তরা। ওই দিনই শিশুটির বাবা মো. সিরাজুল ইসলাম সোহাগ বাদী হয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে শিশুটির সঙ্গে চুরি করা সোহাগ হাওলাদেরর মুঠোফোন থেকে ফোন করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে দুর্বৃত্তরা। আসামিদের চাওয়া অনুযায়ী সোহাগ ১০ লাখ টাকা দিলেও তারা শিশুটিকে ফেরত দেয়নি। এ ঘটনায় ১৩ মার্চ মো. হৃদয় ওরফে রাহাত হাওলাদার নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরে তার দেয়া তথ্যে ১৭ মার্চ দুপুরে উপজেলার বিশারীঘাটা এলাকার একটি রাস্তার পাশে থাকা টয়েলেটের ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে হৃদয়ের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রায় একবছর পর ২০২০ সালের ৯ মার্চ আদালতে চার্জ গঠন করা হয়। ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তি তর্ক শেষে আজ যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন আদালত।

মামলার রাষ্ট্রিয় কৌসুলী রণজিৎ কুমার মন্ডল বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭ ধারায় আসামিদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থ জরিমানা করেছেন আদালত। রায়ে সন্তুষ্ট ভুক্তভোগী পরিবার।