সংবাদ শিরোনাম

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘরে ঢুকে পড়ল ট্রাক, প্রাণ গেল ঘুমন্ত ব্যক্তিরটাঙ্গাইলে নারীর গোসলের ভিডিও ধারণকারী ছাত্রলীগ নেতা কারাগারেভূঞাপুর পৌর নির্বাচনঃ সকালে ব্যালট সামগ্রী পাঠাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনপদ্মা সেতুর নাম ‘শেখ হাসিনা সেতু’র প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর নাহাতীবান্ধায় ব্রিজ নির্মাণে খুশি চরাঞ্চলের হাজার মানুষআবারও পপির বিয়ের গুঞ্জন৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে টিকাদান শুরু: স্বাস্থ‌্যমন্ত্রীমিরপুরে ডিএনসিসির উচ্ছেদে বাধা, পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষবৃদ্ধাকে নির্যাতনকারী ভয়ঙ্কর সেই গৃহকর্মী ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রেপ্তারনিলামে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম পৌনে ৩ টাকা!

  • আজ ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দেশের মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না, বেপরোয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

◷ ১১:৩৫ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, নভেম্বর ২৯, ২০২০ ঢাকা
zahid

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশের মানুষ মাস্ক পরছে না। স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। মানুষ বেপরোয়া হয়েছে। টু মাচ কনফিডেন্টের কারণে দেশে গত কয়েকদিনে করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বেড়েছে। একই কারণে দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

রোববার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের বলরুমে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত “করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও ভ্যাক্সিন বিষয়ে আলোচনা সভায়” প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে যেতে হবে। যদি লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যেতে চান, সেই সক্ষমতা পৃথিবীর কোনও দেশের নেই। তাই সংক্রমণের হাত থেকে বেঁচে থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ইউরোপ-আমেরিকা, এমনকি ভারতেও সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়েছে। আমাদের দেশেও কিছুটা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বাড়ছে গত কয়েকদিনে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মানছি না। আমরা বেপরোয়া হয়ে চলছি। মাস্ক ব্যবহার করছি না। আমরা টু মাচ কনফিডেন্ট হয়ে গেছি। বেশি কনফিডেন্ট।’

তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে লাখ লাখ মানুষ সমুদ্রের পাড়ে ঘোরাফিরা করছেন। সেখান থেকে তারা সংক্রমিত হচ্ছেন।’ শীতকালে ধর্মীয়, বিয়ে-পিকনিকসহ অনেক অনুষ্ঠান হয়, সেখানেও স্বাস্থ্যবিধি কতটুকু মানা হবে, আশঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সে কারণে আমাদেরও সেকেন্ড ওয়েভের আশঙ্কা রয়েছে। তাই সরকার এখন কঠোর অবস্থানে চলে যাচ্ছে। করোনা থেকে বাঁচতে হলে এখন মানুষের মুখে মাস্ক পড়ার বিকল্প কিছুই নেই।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘‘বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে স্ক্রিনিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বাস,ট্রেন ও লঞ্চে অনেক মানুষ যাতায়াত করেন। তাদেরকেও স্বাস্থ্যবিধি মানাতে হবে। সরকার ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ চালু করেছে। এটা মানতে হবে, করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে চাইলে।’’

ভ্যাক্সিন আনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনো কোন দেশকেই ভ্যাক্সিন ব্যবহার করার অনুমোদন দেয়নি। তবে সরকার সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। যখনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বের কোথাও কাউকে ভ্যাক্সিন ব্যবহারে অনুমতি দিবে বাংলাদেশও সাথে সাথেই ভ্যাক্সিন পেয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নুর বলেন, ‘করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় আমরা থমকে যাইনি। একটু একটু করে এগিয়েছি। অনেক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির দুঃখজনক ঘটনার পাশাপাশি চিকিৎসা, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের বেশ কিছু সক্ষমতাও অর্জিত হয়েছে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ‘করোনার টিকা এলে কে কীভাবে পাবে, তার নীতিমালা করা হচ্ছে। কোনো দেশেই একসঙ্গে সবাইকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না। আমাদেরও ধৈর্য ধরতে হবে। পর্যায়ক্রমে সবাই টিকা পাবেন।’

আলোচনায় মূল প্রবন্ধ পাঠ ও সভাপতিত্ব করেন বিপিএমসিএর সভাপতি এম এ মুবিন খান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দেন বিপিএমসিএর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হাসান, আইনবিষয়ক সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য আফজাল হোসেন, সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, এম এ মুকিদ প্রমুখ।