🕓 সংবাদ শিরোনাম

সোনারগাঁয়ে সড়কের পাশে মিলল বোরকা পরা তরুণীর মরদেহরাতে দোকান থেকে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ মিললো সকালেজরুরি বিজ্ঞপ্তিতে আলিম পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তনইউনেস্কো পুরস্কার জিতলো দেড়শ বছরের পুরনো দোলেশ্বর হানাফিয়া মসজিদঢাকার পর শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর হচ্ছে চট্টগ্রামেও‘ভাই কবরে ,খুনি কেন বাহিরে’ শ্লোগানে শিক্ষার্থীদের কফিন মিছিলশিশুকে ডায়াবিটিস থেকে দূরে রাখতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেনদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে তৈরি থাকার বার্তা দিল ”হু”বুড়িগঙ্গায় ’সাকার ফিশ’র দখলে, হুমকিতে দেশীয় মাছরোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক-৫

  • আজ রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

দেশের মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না, বেপরোয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

zahid
❏ রবিবার, নভেম্বর ২৯, ২০২০ ঢাকা

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশের মানুষ মাস্ক পরছে না। স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। মানুষ বেপরোয়া হয়েছে। টু মাচ কনফিডেন্টের কারণে দেশে গত কয়েকদিনে করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বেড়েছে। একই কারণে দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

রোববার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের বলরুমে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত “করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা ও ভ্যাক্সিন বিষয়ে আলোচনা সভায়” প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে যেতে হবে। যদি লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যেতে চান, সেই সক্ষমতা পৃথিবীর কোনও দেশের নেই। তাই সংক্রমণের হাত থেকে বেঁচে থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ইউরোপ-আমেরিকা, এমনকি ভারতেও সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়েছে। আমাদের দেশেও কিছুটা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বাড়ছে গত কয়েকদিনে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মানছি না। আমরা বেপরোয়া হয়ে চলছি। মাস্ক ব্যবহার করছি না। আমরা টু মাচ কনফিডেন্ট হয়ে গেছি। বেশি কনফিডেন্ট।’

তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে লাখ লাখ মানুষ সমুদ্রের পাড়ে ঘোরাফিরা করছেন। সেখান থেকে তারা সংক্রমিত হচ্ছেন।’ শীতকালে ধর্মীয়, বিয়ে-পিকনিকসহ অনেক অনুষ্ঠান হয়, সেখানেও স্বাস্থ্যবিধি কতটুকু মানা হবে, আশঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সে কারণে আমাদেরও সেকেন্ড ওয়েভের আশঙ্কা রয়েছে। তাই সরকার এখন কঠোর অবস্থানে চলে যাচ্ছে। করোনা থেকে বাঁচতে হলে এখন মানুষের মুখে মাস্ক পড়ার বিকল্প কিছুই নেই।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘‘বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে স্ক্রিনিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বাস,ট্রেন ও লঞ্চে অনেক মানুষ যাতায়াত করেন। তাদেরকেও স্বাস্থ্যবিধি মানাতে হবে। সরকার ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ চালু করেছে। এটা মানতে হবে, করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে চাইলে।’’

ভ্যাক্সিন আনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনো কোন দেশকেই ভ্যাক্সিন ব্যবহার করার অনুমোদন দেয়নি। তবে সরকার সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। যখনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বের কোথাও কাউকে ভ্যাক্সিন ব্যবহারে অনুমতি দিবে বাংলাদেশও সাথে সাথেই ভ্যাক্সিন পেয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নুর বলেন, ‘করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় আমরা থমকে যাইনি। একটু একটু করে এগিয়েছি। অনেক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির দুঃখজনক ঘটনার পাশাপাশি চিকিৎসা, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের বেশ কিছু সক্ষমতাও অর্জিত হয়েছে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ‘করোনার টিকা এলে কে কীভাবে পাবে, তার নীতিমালা করা হচ্ছে। কোনো দেশেই একসঙ্গে সবাইকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না। আমাদেরও ধৈর্য ধরতে হবে। পর্যায়ক্রমে সবাই টিকা পাবেন।’

আলোচনায় মূল প্রবন্ধ পাঠ ও সভাপতিত্ব করেন বিপিএমসিএর সভাপতি এম এ মুবিন খান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দেন বিপিএমসিএর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হাসান, আইনবিষয়ক সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য আফজাল হোসেন, সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, এম এ মুকিদ প্রমুখ।