সংবাদ শিরোনাম

মাদারীপু‌রে শাহেদ বেগ হত্যা মামলায় দুইজ‌নের মৃত্যুদণ্ডচট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: ভোটকেন্দ্রে হামলা, ইভিএম ভাঙচুরইউপি সদস্যের নামে কুরিয়ারে ‘চাইনিজ কুড়াল’ পাঠাল কে?বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে, অভিযোগ আওয়ামী লীগেরচট্রগ্রামে সংঘর্ষে ছেলের নিহতের খবর শুনে মারা গেলেন মাচট্টগ্রামে বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমাইল আটকনিজের ভোট দিতে পারেননি কাউন্সিলর প্রার্থী মনোয়ারা, নির্বাচন বর্জনজামালপুরে দুই মাসে মধ্যে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্তটিকায় অগ্রাধিকার কাদের, সংসদে তালিকা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রীআ.লীগকে জেতাতে উঠেপড়ে লেগেছে প্রশাসন: ডা. শাহাদাত

  • আজ ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছরের জেল, আমৃত্যু নয়: সুপ্রিম কোর্ট

◷ ১১:৫১ পূর্বাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
সুপ্রিম কোর্ট

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ২০১৭ সালে সাভারের একজন ব্যবসায়ী জামান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে আপিল বিভাগ বলেছিলো যাবজ্জীবন মানে ত্রিশ বছর নয়, আমৃত্যু কারাবাস।

কিন্তু পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হলে এ বিষয়ক একটি রিভিউ আবেদন হয় এবং ওই আবেদনের চূড়ান্ত রায়ে আপিল বিভাগ আজ বলেছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছরের কারাদণ্ড।

মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ভার্চুয়াল বেঞ্চ এই রায় দেন।

আদালত বলেছেন, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড অর্থাৎ স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত। তবে বিচারিক (নিম্ন) আদালত যদি ৩০ বছরের সাজা দেন সেক্ষেত্রে ৪৫, ৫৩ এবং ৫৫ ও ৫৭ এই ধারাগুলা একসাথে বিবেচনায় নিতে হবে। কিন্তু ৩০ বছরের সাজার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারের ক্ষেত্রে কোনো সুবিধা পাবে না।

রিভিউ আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, “আপিল বিভাগ শর্ট অর্ডারে বলেছেন বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ও ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী যাবজ্জীবন সাজার অর্থ হবে ত্রিশ বছর কারাদণ্ড। তবে কোনো নির্দিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনাল যদি কোনো ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাগারের আদেশ দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির জন্য কোনো রেয়াত বা বেনিফিট প্রযোজ্য হবেনা। তাকে আমৃত্যুই কারাগারে থাকতে হবে। তবে সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ হবে ত্রিশ বছর”।

তিনি বলেন আইনজীবী ও আইনজ্ঞদের মধ্যে এ নিয়ে যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছিলো তার প্রাথমিক সমাধান হলো যে ত্রিশ বছর ধরেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিষয়টি হিসেব করতে হবে।

তবে আমৃত্যু কারাগারের বিষয়টি কারাগারে কিভাবে মেনটেইন করা হবে তা নিয়ে পরে সরকারের দিক থেকে নির্দেশনা আসতে পারে, বলছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, যাবজ্জীবন সাজার মেয়াদ নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা বিভ্রান্তিতে ছিলেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ আমৃত্যু কারাদণ্ড, নাকি ৩০ বছর কারাদণ্ড হবে, নাকি অন্য কোনো সিদ্ধান্ত আসবে, তা জানা গেল এ রায়ের মধ্য দিয়ে। এই রায়ের মধ্য দিয়ে বিভ্রান্তির অবসান ঘটলো মনে করেন আইনজীবীরা।