সংবাদ শিরোনাম

নির্বাচন বর্জন করলেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী জান্নাতুল ইসলামদেশের প্রথম করোনা টিকা নিলেন নার্স রুনুমুন্সিগঞ্জে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবনদেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীনজিরবিহীন নির্বাচন, দিনের ভোট রাতে: ইসিতে বিএনপির অভিযোগমাদারীপু‌রে শাহেদ বেগ হত্যা মামলায় দুইজ‌নের মৃত্যুদণ্ডচট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: ভোটকেন্দ্রে হামলা, ইভিএম ভাঙচুরইউপি সদস্যের নামে কুরিয়ারে ‘চাইনিজ কুড়াল’ পাঠাল কে?বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে, অভিযোগ আওয়ামী লীগেরচট্রগ্রামে সংঘর্ষে ছেলের নিহতের খবর শুনে মারা গেলেন মা

  • আজ ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মাত্র ৫৪ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাওয়ার ট্রেন আসছে

◷ ১:৫২ অপরাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০ স্পট লাইট

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: এবার মাত্র ৫৪ থেকে ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকা থেকে যাওয়া যাবে চট্টগ্রামে। যেখানে রেলপথে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে এখন সময় লাগে ছয় ঘণ্টা। মূলত সরকারের গৃহীত বুলেট ট্রেন প্রকল্প চালু হলেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

জানা গেছে, বুলেট ট্রেনের নকশার চূড়ান্ত অনুমোদন চলতি ডিসেম্বরে হতে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী সুবক্তগীন গণমাধ্যমকে বলেন, বুলেট ট্রেনের প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশনের প্রতিনিধিরা। ডিসেম্বরে তারা বাংলাদেশে আসবেন। এরপর ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য একনেকে যাবে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত বুলেট ট্রেনের রেলপথটি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মধ্য দিয়ে যাবে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা বা লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন লাইন নির্মাণ করা হলে এ পথে যাতায়াতে এক ঘণ্টারও কম সময় লাগবে। রেলপথটি কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যাতায়াতও সহজ হবে।

প্রকল্পটির সমীক্ষার অনুমোদিত ব্যয় ছিল ১০০ কোটি ৬৯ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ২০১৭ সালের ০১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। তবে ডলারের দাম ও পরামর্শক খাতে ব্যয় বাড়ার কারণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রকল্প পিছিয়ে যায়।

সমীক্ষা প্রকল্প শেষে পরবর্তী মূল প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে কয়েক বছরের মধ্যে বুলেট ট্রেনে ভ্রমণ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যৌথভাবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশার কাজ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে, চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন (চীন) ও মজুমদার এন্টারপ্রাইজ (বাংলাদেশ)।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটের রেলপথের দূরত্ব ৩২১ কিলোমিটার। তবে উচ্চগতির রেলপথটি আগের রেলপথের চেয়ে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার কম হবে। এক্ষেত্রে উচ্চগতির রেলপথ দাঁড়াবে ২২৭ কিলোমিটার।