সংবাদ শিরোনাম

সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারনন্দীগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতারশাহজাদপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে প্রতিবন্ধী দম্পতিবাংলাদেশে পরীক্ষা চালানোর জন্য ২০ লাখ টিকা দিয়েছে ভারত: রিজভীফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২ স্কুলছাত্র নিহতযশোর সীমান্তে ১২ লাখ টাকার ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটকমধ্য প্রাচ্যের সবজি স্কোয়াশ চাষ হচ্ছে এখন নওগাঁর মাটিতেএসএসসির সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশচসিক নির্বাচনে সহিংসতার শঙ্কা ও উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে: মাহবুব তালুকদারহিলিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চাচা-ভাতিজা নিহত

  • আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

“ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে ইতিহাস-ঐতিহ্যকে নষ্ট করতে চাইলে সহ্য করা হবে না”

◷ ১০:২২ অপরাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১, ২০২০ জাতীয়
dipu

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ধর্মের অপব্যাখ্যা করে কেউ যদি আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে নষ্ট করতে চায় তা কোনোভাবে সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

মঙ্গলবার (০১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে সরকারি বাঙলা কলেজে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উন্মোচন, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের উদ্বোধন ও বধ্যভূমির স্মৃতি ফলক উন্মোচনের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। ধর্ম নিরপেক্ষতা হলো রাষ্ট্রের সকল নাগরিক স্বাধীনভাবে যার যার ধর্ম পালন করতে পারবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে আজ শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতি সাধিত হয়েছে। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ এক বিস্ময়ের নাম। এ অগ্রযাত্রা অপ্রতিরোধ্য। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ভীত হয়ে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আজ নতুন করে অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। তারা আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে নতুন করে আবার বিতর্কের সৃষ্টি করছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার পাঠ্যক্রমে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনছে। সেইসাথে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে, শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণে পরিবর্তন আনছে। প্রযুক্তি ব্যবহার, নারী-প্রতিবন্ধী-বান্ধব শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষায় সবার অভিগম্যতা যেন থাকে তা সরকার নিশ্চিত করছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করছি যেন শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া শেষ করে নিজেরা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আমরা চাই না সনদ সর্বস্ব বেকার তৈরি করতে।

সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ফেরদৌসী খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আসলামুল হক এবং ১৯৭১ গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্টের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সরকারি বাঙলা কলেজ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর নির্যাতন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। মুজিববর্ষের প্রাক্কালে সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ডকে এ প্রজন্মের সামনে উপস্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের অন্যতম বধ্যভূমি সরকারি বাঙলা কলেজ প্রাঙ্গনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।