সংবাদ শিরোনাম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তরোহিঙ্গা শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় নারীসহ দু’জন গ্রেপ্তারবেলকুচিতে দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !জামালপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেফতার মাদ্রাসার শিক্ষক‘করোনাকালের নারী নেতৃত্ব: গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’বগুড়ায় শিক্ষা প্রনোদনা পেতে প্রত্যয়নের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগজামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবনপাবনায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার-২উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে ‘পেটালেন’ কাদের মির্জা!কে কত বড় নেতা, সবাইকে আমি চিনি: কাদের মির্জা

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পরকীয়ায় আসক্ত : প্রেমিককে কাছে পেতে ৩ সন্তানের মুখে বিষ!

১১:৩৯ পূর্বাহ্ন | বুধবার, ডিসেম্বর ২, ২০২০ সিলেট
নারী

সময়ের কণ্ঠস্বর, হবিগঞ্জ- পরকীয়া করতেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের উচাইল-চারিনাও গ্রামের গৃহবধূ ফাহিমা খাতুন। কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তার তিন সন্তান। প্রেমিককে কাছে পেতে তাই জুসের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে সন্তাদের পান করিয়ে দেন তিনি। শিশু তিনটির মধ্যে একজন মারা গেছে।

মঙ্গলবার হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন ফাহিমা খাতুন। আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

একইদিন রাতে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের উচাইল-চারিনাও গ্রামের ইজিবাইক চালক সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী ফাহিমা খাতুনের সঙ্গে পাশের বাড়ির আক্তার মিয়ার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এক পর্যায়ে তারা ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ফাহিমার ৩ সন্তান।

১৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের দোকান থেকে ফাহিমা ২টি লিচুর জুস কিনে এনে প্রেমিক আক্তার মিয়ার হাতে দেন। আক্তার মিয়া জুসে বিষ মেশান। পরে আক্তার মিয়া ও ফাহিমা খাতুন ৩ সন্তানকে উঠান থেকে ডেকে এনে জুস খাওয়ান। জুস খাওয়ার পরই বিষক্রিয়ায় ফাহিমার ৩ শিশু সন্তান ছটপট করতে থাকে।

পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় ৩ শিশুকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে ৭ বছরের মেয়ে সাথী আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অপর দুই সন্তান তোফাজ্জল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর সুস্থ হয়।

এরপরই ফাহিমা ও আক্তারের পরকীয়া প্রেমের বিষয়টি প্রকাশ পায়। এ ঘটনায় ফাহিমার স্বামী সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে স্ত্রী ফাহিমাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন।