🕓 সংবাদ শিরোনাম

রংপুরে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল ৩ নারী শ্রমিকেরভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধনমানিকগঞ্জের কেন্দ্রে গুলোতে পৌঁছেছে নির্বাচনী সামগ্রী, ব্যালট যাবে সকালেমুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীবগুড়ায় চেয়ারম্যান পদে ভাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাই!শরীয়তপু‌রে নির্বাচনী সহিংসতায় দলীয় কর্মীর মৃত্যুতে সংবাদ স‌ম্মেলনমন্ত্রিত্ব একটি চ্যালেঞ্জিং জব: কাদেরটাঙ্গাইলে শ্রমিক লীগ নেতা হত্যায় মামলা, গ্রেপ্তার ২ছোটবেলায় আমরাও হাফ ভাড়ায় চলেছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসংসদে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পক্ষে কথা বলে তোপে বিএনপির হারুন

  • আজ রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ নভেম্বর, ২০২১ ৷

অবশেষে আত্মসমর্পন করলেন টাঙ্গাইলে সাবেক মেয়র মুক্তি

মুক্তি
❏ বুধবার, ডিসেম্বর ২, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামী সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি ছয় বছর পর আত্মসমর্পন করেছেন। বুধবার (২ ডিসেম্বর) সকালে হঠাৎ আত্মসমর্পন করেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান জানান, সকাল পৌনে ১১ টা দিকে সহিদুর রহমান তার বাবা সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান ও ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে সাথে নিয়ে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে উপস্থিত হন।

এ সময় তারা আদালত কক্ষের ভিতর অবস্থান নিয়ে আত্মসমর্পনের কাগজপত্র জমা দেন। শুনানী শেষে দুপুরের পর আদালতে আদেশ দেওয়া হবে। পরে পুলিশ হেফাজতে তিনি একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিবি কর্তৃক একটি অস্ত্র মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিনের প্রার্থনা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে। দুপুরের পর শুনানী হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম, আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আব্দুল বাকী মিয়াসহ ২০-২৫ জন আইনজীবী ও বাদি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. রফিকুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা পুলিশ রাজা ও মোহাম্মদ আলীর নামক দুইজনকে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গ্রেপ্তার করে।

ওই দুই আসামীর জবানবন্দিতে এই হত্যার সাথে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালিন সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা এবং তার অপর তিন ভাই পৌরসভার তৎকালিন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকণ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। তার পরেই আমানুর ও সহিদুরসহ চার ভাই আত্মগোপনে চলে যান।

পরবর্তীতে আমানুর ২২ মাস পলাতক থাকার পর আদালতে আত্মসর্মপন করেন। প্রায় দুই বছর হাজতে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্ত হন। তবে তার অপর তিন ভাই এখনো পলাতক রয়েছেন। আদালতে এ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।