• আজ শুক্রবার, ১৪ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

গান ছাড়ছেন ফেরদৌস ওয়াহিদ!

fardous-wahid-01
❏ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৩, ২০২০ বিনোদন

বিনোদন ডেস্কঃ দেশের পপ গানের কিংবদন্তি বলা হয় কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদকে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশে তিনি ব্যান্ড সংগীতকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন তিনি। ছোট বড় অনেক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এবার আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন জনপ্রিয় এই কণ্ঠ শিল্পী।

ঢাকায় একটি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে ১০ ডিসেম্বর এই তারকাকে সম্মাননা প্রদান করা হবে। সম্মাননা একজন শিল্পীর জীবনে বড় পাওয়া। আর তাই এ খবরে আপ্লুত হয়েছেন তিনি।

তবে জীবনের এই সময়ে এসে মৃত্যু তাকে ভাবিয়ে তুলছে সেকথা অনেকবারই জানিয়েছেন গণমাধ্যমে। এবার দর্শকদের জানালেন এক দুঃসংবাদ। গুনী এই শিল্পী চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের পর আর নতুন কোনও গান গাইবেন না। এমনকি উঠবেন না কোনও মঞ্চেও। তার ছেলে হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে পরামর্শ করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানালেন ফেরদৌস।

এ বিষয়ে তিনি জানান, ‘‘এই বছরই হবে আমার গানের শেষ বছর। চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে আমি উপস্থিত থাকব। সঙ্গে আমার ছেলে হাবিব ওয়াহিদও থাকবে। অনুষ্ঠানে হাবিব আমাকে ট্রিবিউট করে আমার দুটি বিখ্যাত গান গাইবে। এর মধ্যে একটি হলো- ‘আগে যদি জানতাম’, অন্যটি এখনো ঠিক করিনি। আশা করি, শেষটা সুন্দর হবে।’’

ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ভক্তদের জন্য আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আজকের ফেরদৌস ওয়াহিদ হতে পেরেছি শুধু তাদের জন্য। তাই ভক্তদের নিরাশ করব না। গান থেকে দূরে থাকলেও আগামীতে তারা আমার কয়েকটি নতুন গান শুনতে পারবেন। আমার ১৫টি বিখ্যাত গান নতুন করে তৈরি করছে হাবিব। পরিকল্পনা আছে, প্রতি মাসে একটি করে এগুলো প্রকাশ করার। বিষয়টি এখন থেকে হাবিবই দেখবে। আর আমি তো আমাদের দেশের অবস্থা জানি। শিল্পীদের শেষ বয়সে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়। আবার আমার নিজের রেঞ্জও আমার জানা। তাই মনে করি, এটাই বিদায় নেওয়ার ভালো সময়।’

তিনি জানান, ১৯৮৬ সালে তার বাবার নামে জনকল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছিল। সেখান থেকে অসহায় মানুষের চিকিৎসার জন্য তারা সহায়তা করে থাকেন। যদি সেই ট্রাস্টের কল্যাণে কেউ কনসার্ট আয়োজন করে, তখন হয়তো দায়বদ্ধতা থেকে গাইবেন। নইলে আর কখনোই মঞ্চেও উঠবেন না তিনি।

চার দশকের বেশি সময় ধরে গান করছেন সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ। তিনি ১৯৭০-এর দশকে তার সঙ্গীত জীবন শুরু করেছিলেন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষার মধ্য দিয়ে। ১৯৭৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর এমন একটা মা দে না, যে মায়ের সন্তানেরা কান্দে আবার হাসে এই গানটি তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এর পর আর কখনও তাকে পেছনে ফিরতে হয়নি। এরপর ফিরোজ সাঁই, আজম খান, এবং ফেরদৌস ওয়াহিদ মিলে গড়ে তোলেন উচ্চারণ নামের একটি ব্যান্ড দল।

ফেরদৌস ওয়াহিদ চলচ্চিত্রে প্রথম প্লেব্যাক করেন দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘আসামী হাজির’ সিনেমায়।

সিনেমার বাইরে তার আলোচিত গান হচ্ছে ‘মামুনিয়া। আগে যদি জানতাম, তুমি আমি যখন একা। খোকাসহ আরো অনেক। এছাড়া চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাও করেছেন তিনি।

কয়েক মাস ধরে নিজ এলাকা বিক্রমপুরেরই আছেন এই শিল্পী। মন দিয়েছেন মাছ চাষ ও কৃষি কাজে। এটা করেই সময় কাটাচ্ছেন দেশের প্রথম সারির এই গুণীশিল্পী।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ভোটগ্রহণ চলছে

❏ শুক্রবার, জানুয়ারী ২৮, ২০২২

pori n234 হাসপাতালে নেওয়া হলো পরীমণিকে

❏ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৭, ২০২২