• আজ সোমবার, ১১ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৬ জুলাই, ২০২১ ৷

এমসি কলেজে গণধর্ষণ ॥ শায়েস্তাগঞ্জের রনির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলায় দুই চার্জশিট

Shlhet news
❏ শনিবার, ডিসেম্বর ৫, ২০২০ সিলেট

মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় হবিগঞ্জে শায়েস্তাগঞ্জের শাহ্ মাহবুবুর রহমান রনিসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

একইদিনে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলায় চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। এ চার্জশিটে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকেও অভিযুক্ত করা হয়। শাহ্ মাহবুবুর রহমান রনি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাগুনীপাড়া গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে।

গত বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট মহানগর মূখ্য হাকিম আবুল কাশেমের আদাণলতে এই দুই মামলার চার্জশিট প্রদান করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য।

দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রদানের কথা জানায় পুলিশ। সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এর কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।এতে মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) সুহেল রেজা জানান, ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর ওই তরুণীর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন। ওই রাতেই ছাত্রাবাসে সাইফুর রহমানের (২৮) কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি পাইপগান, ৪টি রামদা, ২টি চাকু উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শাহপরান থানায় অস্ত্র আইনে মামলা (নং-২২/২৬/০৯/২০) করা হয়।এই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, মামলার তদন্তে ওই অবৈধ অস্ত্রগুলোর সাথে সাইফুর রহমান ও মাহবুবুর রহমান রনির সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। ফলে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (শাহপরান থানায় অভিযোগপত্র নং-১৬৪/২২/১১/২০) দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সরাসরি ধর্ষণে জড়িত ছিলেন সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন। এছাড়া ধর্ষণে সহায়তা করেন রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুম।এই ৮ আসামির সবাই বর্তমানে কারাগারে আছেন। তাদের মধ্যে সরাসরি ধর্ষণে যুক্ত থাকা ৬ জনের ডিএনএ পরীক্ষায়ও ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। আসামিদের প্রত্যেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন