• আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়া আগে ছিলেন কারাবন্দি, এখন গৃহবন্দি: গয়েশ্বর

◷ ৩:৩০ অপরাহ্ন ৷ শনিবার, ডিসেম্বর ৫, ২০২০ ঢাকা
goyesshor

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, খালেদা জিয়া আগে ছিলেন জেলবন্দি-কারাবন্দি। এখন তিনি গৃহবন্দি। শনিবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে শ্রমিক দল। গত সোমবার নজরুল ইসলাম খানের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এর পর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখনও তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘আইনমন্ত্রী বারবার মনে করিয়ে দেন খালেদা জিয়াকে ঘরে বসে চিকিৎসা নিতে হবে। খালেদা জিয়া আগে ছিলেন জেলবন্দি-কারাবন্দি। এখন তিনি গৃহবন্দি। আগে আইজি প্রিজনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা করা যেত। আইজি প্রিজন কাউকে অনুমিত দিতেন, কাউকে দিতেন না। এখন অনুমতি দেওয়ার লোক নেই।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলনে সফল হচ্ছে না বলে মাঝে মধ্যে ওবায়দুল কাদের সাহেব তার কথার মধ্যে দরদ দেখান। ওবায়দুল কাদের সাহেবকে বলতে চাই, আন্দোলন সফল করার জন্য আপনার ভারাক্রান্ত হতে হবে না। আন্দোলন সংগ্রামে সফলতা আমাদের আছে। অতীতেও সফল হয়েছি। ভবিষ্যতে আবারও সফল হবো।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘আমি করোনায় আতঙ্কিত না। আমি আতঙ্কিত এ ভয়াবহ রাষ্ট্র ব্যবস্থায়। কারণ করোনা প্রতিরোধের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগতভাবে-সমষ্টিগতভাব-জাতিগতভাবে এ সরকারের অপকর্মের প্রতিরোধ-প্রতিহত করে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। ’

তিনি বলেন, ‘বিজয়ের মাসের শুরুতে একটি বিধিনিষেধ আসছে। সভা-সমাবেশ, মিছিল, কথাবার্তা বলার আগে অনুমতি নিতে হবে। এসব মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। এসব করতে যদি অনুমতি প্রয়োজন হয় তাহলে যেগুলো মানুষের সাংবিধানিক অধিকার না, সেগুলো করতে কেন অনুমতি নিতে হয় না?

করোনা থেকেও বেশি লোক মারা যাচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনায় উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, পৃথিবীর অন্য দেশে যে পরিমাণ মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় তার থেকে অনেক বেশি মানুষ মারা যায় আমাদের দেশে। এখানে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।