• আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এ দেশের মাটিতে হবেই’- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

◷ ১০:৩৫ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২০ জাতীয়
zahid

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের জন্য বছরের পর বছর কষ্ট করেছেন, জেল খেটেছেন। বঙ্গবন্ধু এই দেশকে স্বাধীন করেছিলেন বলেই আপনারা আজ স্বাধীন দেশের নাগরিক। কাজেই বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ভাস্কর্য নির্মাণে কোনও বাধা দিতে আসবেন না। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এ দেশের মাটিতে হবেই।

রবিবার (৬ ডিসেম্বর) মিরপুরের লালকুঠি হাসপাতালে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর কর্তৃক আয়োজিত পরিবার পরিকল্পনা সেবা ও প্রচার সপ্তাহ-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবার পরিকল্পনা সপ্তাহ পালন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অন্যান্য বছর ব্যাপক পরিসরে পরিবার পরিকল্পনা সপ্তাহ পালন করা হয়। তবে এ বছর কোভিডের কারণে কিছুটা সীমিত পরিসরে পালন করা হচ্ছে। কোভিডের কারণে মানুষের স্বাস্থ্যসেবার কোনো ঘাটতি হতে দেয়া হয়নি। দেশের ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক সার্বক্ষণিক খোলা রয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি চলমান রয়েছে। ভ্যাকসিন আনার কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।

অ্যান্টিজেন টেস্ট প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, রোববারই অনলাইন জুমের মাধ্যমে অংশ নিয়ে দেশের ১০ জেলায় একযোগে অ্যান্টিজেন টেস্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ টেস্টের মাধ্যমে মাত্র ১৫-৩০ মিনিটেই রিপোর্ট পাওয়া যাবে। এর ফলে দেশে কোভিড পরীক্ষার আরেকটি নতুন ধাপ সংযোজিত হয়েছে। মানুষ এখন সচেতন হলে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ সামলানো সহজ হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে বড় বড় রাষ্ট্রগুলো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। লকডাউন হয়ে যাচ্ছে, শিক্ষা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশের অবস্থা সেসব দেশের তুলনায় অনেক ভালো।

করোনা পরীক্ষার পরিধি বেড়েছে জানিয়ে রোগীদের হাসপাতালে এসে করোনা পরীক্ষা করানো ও সেবা নেয়ার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রোগীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা আসুন, পরীক্ষা করান, চিকিৎসা নিন, সেবা নিন, আপনারা ভালো থাকবেন।’

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২০০ শয্যাবিশিষ্ট লালকুঠি, মিরপুর মাতৃ ও শিশুশিক্ষা প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন এবং হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি বকুল ফুল গাছের চারা রোপণ করেন।

সারা দেশে ৮টি বিভাগে, ৬৪ জেলা, ৪৮৮টি উপজেলার ৬০টি মা-শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, ৪ হাজার ৮টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র অর্থাৎ ৪ হাজার ৬৮২টি সেবা কেন্দ্র থেকে একযোগে পালিত হচ্ছে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ-২০২০।