ভাস্কর্য ভাঙার পেছনে বিএনপির উসকানি আছে কিনা খতিয়ে দেখছি: কাদের

kader
❏ সোমবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার পেছনে বিএনপি-জামায়াতের উস্কানি আছে কি না তা খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার জন্য বিএনপি উস্কানি দিচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, তারাতো বিভিন্ন আন্দোলনের উপর ভর করে। এখন তারা হেফাজতের ইস্যুতে ভর করছে কি না সেটা খতিয়ে দেখার বিষয়। কারণ তাদের নিজেদেরতো কিছু করার সামর্থ্য নেই।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ওপর হামলা সংবিধান ও রাষ্ট্রদ্রোহের সামিল জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির পিতা, তার ভাস্কর্যের ওপর হামলা। মিশর জর্ডান, সৌদি আবর পাকিস্তানসহ বিশ্বের মুসলিম দেশে দেশে ভাস্কর্য আছে। তাদের চেয়েও আমরা বড় মুসলমান! তারাও তো কথা বলবে। মূর্তি মানে দেবতার পূজা, এটা তো মানুষের ভাস্কর্য। দেবতাকে তো পূজা করা হয় মানুষকে তো পূজা করা হচ্ছে না। এটা কেন যে তারা করছে..।

তিনি বলেন, কুষ্টিয়ায় তারা যেটি করেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও মধুদার ভাস্কর্যের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমি করি বঙ্গবন্ধুর ওপর ভাস্কর্যের ওপর যারা হামলা করেছে এবং যারাই করবে বা দৃষ্টতা দেখাবে তাদেরকেই চরম মূল্য দিতে হবে। কোন অবস্থাতেই এই প্রশ্নে আপোষ করা যায় না, অযৌক্তিক, অগ্রহণযোগ্য।

ভাস্কর্য ইস্যুতে সরকারকে বুঝেশুনে পরিস্থিতে ট্যাকেল দিতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, তবে উপযুক্ত প্রমাণ না পেলে কাউকে অ্যামবারেস করা উচিত নয়। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে, যদি সেরকম প্রমাণ পাই কেউ হুকুম দিয়েছে- তাহলে ব্যবস্থা নেব। আমরা সরকারে আছি, কথায় কথায় মাথা গরম করলে তো চলবে না। বুঝে শুনে পরিস্থিতি ট্যাকেল দিতে হবে। আমাদের দেশে ধর্ম একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং সেনসিটিভ ইস্যু। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বিষয়গুলো দেখছেন। আমরা অহেতুক দেশে অশান্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে উসকানি দিতে যাব না।

হেফাজতের নেতাদের প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎকার দেবেন কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎকার দেবেন কিনা, কবে দেবেন? এটা আমি বলতে পারি না। তিনি চাইলে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন। সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

মুসলিম দেশগুলোতে মাঝে মাঝে ‘ধর্মীও ইস্যু’ চলে আসে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, মুসলিম দেশে ধর্মীও ইস্যু চলে আসে। এর পিছনে রাজনৈতিক কারণও আছে। কাজেই সবকিছু আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন