রাজনৈতিক মদদেই ফণা তোলার অপচেষ্টা করে মৌলবাদী অপশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

◷ ৯:৫৩ অপরাহ্ন ৷ সোমবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২০ জাতীয়
hasan

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ মৌলবাদী অপশক্তি দেশে রাজনৈতিক মদদেই মাঝেমধ্যে ফণা তোলার অপচেষ্টা করে বলে দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, দেশে মৌলবাদী অপশক্তিকে একটি রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী পৃষ্ঠপোষকতা দেয়। তাদের একটি গোষ্ঠী রাজনৈতিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেয় বলেই তারা বিভিন্ন সময় ফণা তোলার অপচেষ্টা করে। এদের কোনো ভাবেই ফণা তুলতে দেওয়া যাবে না।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ক্লাইমেট জার্নালিস্ট ফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানও উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আজকে যারা ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে ফতোয়া দিচ্ছে, এ সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী অপশক্তি দেশে ঘাপটি মেরে থাকে, সময়ে সময়ে ফণা তোলার চেষ্টা করে। কোনোভাবেই এদের ফণা তুলতে দেয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে, এ অপশক্তিকে পরাভূত করেই বাংলাদেশ রচিত হয়েছে।’

‘এ মৌলবাদী অপশক্তি, যারা দেশকে মধ্যযুগে নিয়ে যেতে চায়, এরা ফণা তোলার চেষ্টা করতে পারত না যদি না তাদের রাজনৈতিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা না হত,’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘একটি দল, একটি গোষ্ঠী তাদের রাজনৈতিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়। অথচ সেই দলের প্রতিষ্ঠাতার ভাস্কর্যও দেশের বিভিন্ন জায়গায় আছে। কিন্তু এ সত্ত্বেও তারা এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়।’

হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে রচিত স্বাধীন বাংলাদেশে মৌলবাদী অপশক্তির কোনো স্থান হবে না, বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

ভাস্কর্যবিরোধী অপতৎপরতাকারীদের আইনের আওতায় আনার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মামলা হওয়ার অর্থই আইনের আওতায় আসা। মামলা হয়েছে এবং সেই মামলা করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতিও নিতে হয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক করা মন্তব্য ‘দেশে গণতন্ত্র নেই’ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের জন্মটাই অগণতান্ত্রিকভাবে সেনা ছাউনিতে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে, তারা যখন গণতন্ত্রের কথা বলে, তখন দেশের গণতন্ত্রমনা মানুষ হাসে। আর দেশে অবাধ গণতান্ত্রিক চর্চা, পরিপূর্ণ বাকস্বাধীনতা আছে বলেই মির্জা ফখরুল সাহেবসহ বিএনপি নেতারা প্রতিদিন এ ধরনের বিষোদগার করতে পারেন।’