🕓 সংবাদ শিরোনাম

আমাদের যা আছে, তা দিয়েই সামনে এগিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রীএসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও অর্থের অভাবে উচ্চ শিক্ষা অনিশ্চিত শুভ’রমহামারি এখনই শেষ হচ্ছে না, সৃষ্টি হতে পারে নতুন ভ্যারিয়েন্ট: টেড্রোসখাগড়াছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২নৌকা থেকে লাফিয়ে পালালো পাচারকারী, বিপুল আইস-ইয়াবা উদ্ধারশাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ শিক্ষার্থীদেরমালয়েশিয়ায় প্রতারণার অভিযোগে নাবিস্কো ভাইয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনবিএনপি বহিষ্কার করলেও অন্য দলে যোগ দেব না: তৈমূরগ্লাস সুমনের মাদক কারবারের প্রধান সহযোগী গ্রেফতারমনোহরদীর দরগাহ মেলা শুরু, নজর কাড়ছে বড় মাছের বাজার

  • আজ বুধবার, ৫ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

ফরিদপুরে দেখা নেই সূর্যের, শীতের পাশাপাশি বাড়ছে ঘন কুয়াশা


❏ বুধবার, ডিসেম্বর ৯, ২০২০ ঢাকা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে গত কয়েকদিন ধরেই শীত বাড়তে শুরু করেছে। কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো জেলা, দেখা মেলেনি সূর্যের। সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে শীত বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও সাধারণ মানুষ। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করছে যানবাহন।

মঙ্গলবার থেকেই ফরিদপুর ও আশপাশের এলাকায় কুয়াশা বাড়তে শুরু করে। সারাদিনই অনেকটা দেখা মেলেনি সূর্যের। আজ বুধবার (৯ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টার পরও সূর্যের আলোর দেখা মিলেনি।

ফরিদপুরের সালথা এলাকার গণমাধ্যমকর্মী মো: আজিজুর রহমান বলেন, গত দু’দিন ধরেই প্রচণ্ড শীত পড়েছে, প্রতিদিন শীত বেড়েই চলছে। এছাড়া শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আগে সকাল বেলা উঠতে পারলেও, এখন শীতের কারণে সকালে উঠতে পারছি না। আর শীত বাড়ায় সর্দি-কাশি ও হাঁচি লেগেই আছে, শীতের কারণে আগে যে শারীরিক সুস্থতা ছিল, তা নেই।

শীত ও কুয়াশায় বেড়েছে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাসচালক হালিম মিয়া ও ট্রাকচালক মজিবর রহমান বলেন, শীতের পাঁশাপাশি প্রচণ্ড ঘন কুয়াশা শুরু হওয়ায় বাস-ট্রাক যে চালাবো তা কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এতই কুয়াশা পড়ছে, যে হেডলাইট জ্বালিয়েও পাঁচ হাত দূরে কি আছে, তা দেখা যাচ্ছে না। এতে করে ধীরে ধীরে যেতে হচ্ছে, এ কারণে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

নগরকান্দা হাটে সবজি নিয়ে আসা চাষি আনোয়ার হোসেন বলেন, শীতকালে খুব কষ্ট। সকাল বেলা উঠে জমি থেকে সবজি তুলে সেগুলো ধুঁয়ে হাটে নিয়ে আসতে হয়। এতে ঠাণ্ডা লেগে অসুখ-বিসুখ বাড়ছে।

দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করা পরিবহন ভ্যানচালক কতুবউদ্দিন বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি ভ্যান চালিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে সংসার চলে। কিন্তু গত দু’দিন ধরে যে শীত পড়েছে, এতে করে সড়কে মানুষের উপস্থিতিও কমে গেছে। এ কারণে ইনকামও কমে গেছে। ঘন কুয়াশায় ঠিকমতো রাস্তাঘাট দেখা যাচ্ছে না।

ফরিদপুর আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘন কুয়াশা হচ্ছে। তবে এটি বেশি দিন স্থায়ী হবে না। গত কয়েকদিন থেকে আমাদের এই অঞ্চলে ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে। তবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি তাপমাত্রা আরও কমে ১৫ বা এর কাছাকাছি থাকবে বা এর নিচেও নামতে পারে বলে জানান তিনি।