সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের

◷ ৪:৫৯ অপরাহ্ন ৷ শনিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০২০ রংপুর
Kurigram Wonter photo 2 12.12.2020

ফয়সাল শামীম, স্টাফ রিপোর্টার: ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন। জেলায় আজ সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমুল ও নিন্ম আয়ের মানুষেরা। কাজে বের হতে পারছেন না শ্রমজীবি মানুষ। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার ৪ শতাধিক চরাঞ্চলের হতদরিদ্র পরিবারগুলো। তীব্র শীত কষ্টে ভুগছে বৃদ্ধ ও শিশুরা।

দিনের বেশির ভাগ সময় সুর্যের দেখা না মেলায় নিন্মগামী হয়ে পড়ছে রাতের তাপমাত্রা। সন্ধা নামার সাথে সাথেই ঘন কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে যাচ্ছে প্রকৃতি। এ অবস্থা চলছে পরের দিন ১১ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত।

হতদরিদ্র মানুষজন তীব্র শীত কষ্টে ভুগলেও সরকারী ও বেসরকারীভাবে শীত বস্ত্র বিতরণের কোন তৎপরতা চোখে পড়ছে না।

সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বলদীপাড়া গ্রামের ছলিমা বেগম জানান, খুবই ঠান্ডা পড়েছে। আমরা দিনমজুর মানুষ। প্রতিদিন কাজ চলে না। টাকা পয়সা নাই গরম কাপড় কিনতে পারছি না। ৪ টা বাচ্চা নিয়ে শীতের মধ্যে খুব কষ্টে আছি। কেউ কোন কম্বল দেয় নাই।

একই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ভোলা মিয়া জানান, আমার ওয়ার্ডে প্রায় ১৮শ মানুষ। আমি সরকারী কম্বল পেয়েছি মাত্র ২৭ টি। যা মাত্র ২৭ জনকে দেয়া সম্ভব হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আইয়ুব আলী সরকার জানান, শীতের শুরুতে সরকারী ৬শ ৪০ টি কম্বল পেয়েছি যা ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের প্রায় পুরোটাই চরাঞ্চল এবং প্রায় সব মানুষই হতদরিদ্র।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, শীতের শুরুতেই ৩৫ হাজার কম্বল জেলার ৭২টি ইউনিয়নসহ পৌরসভা গুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। নতুন করে ৯ উপজেলার প্রত্যেক উপজেলার জন্য শীত বস্ত্র কেনার জন্য ৬ লাখ করে টাকা ও ১ হাজার করে শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা দু’একদিনের মধ্যে বিতরণ করা হবে।