সংবাদ শিরোনাম

বিয়ে পাগল স্বামীর গোপনাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দিলেন স্ত্রী!সিরাজগঞ্জে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী ও শিশু নিহতটিকা সবাইকে দিয়ে নিই, তারপর আমি নেবো: প্রধানমন্ত্রীসুনামগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ১ জন আটকসংঘর্ষ, গোলাগুলি অতঃপর দুই লাশে শেষ হলো চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনরংপুরে ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯ লাখ টাকা জরিমানানির্বাচন বর্জন করলেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী জান্নাতুল ইসলামদেশের প্রথম করোনা টিকা নিলেন নার্স রুনুমুন্সিগঞ্জে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবনদেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আজ ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও পথ অনুসরণ করতে হবে’- রাষ্ট্রপতি

◷ ১১:৪৭ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০২০ জাতীয়
hamid

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করতে হবে। তাঁদের অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাঁদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। এ দিনে তিনি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের, যাঁরা ১৯৭১ সালে বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদারবাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শাহাদত বরণ করেন। একইভাবে তিনি তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বুদ্ধিজীবীরা দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির রূপকার। তাঁদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা, সৃজনশীল কর্মকান্ড, উদার ও গণতান্ত্রিক চিন্তা চেতনা জাতীয় অগ্রগতির সহায়ক। জাতির বিবেক হিসেবে খ্যাত আমাদের বুদ্ধিজীবীরা তাঁদের ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি, যুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারকে পরামর্শ প্রদানসহ বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনা দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে বিপুল অবদান রাখেন।

তিনি বলেন, জাতির দুর্ভাগ্য, বিজয়ের প্রাক্কালে হানাদারবাহিনী পরিকল্পিতভাবে এ দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। জাতির জন্য এ-এক অপূরণীয় ক্ষতি।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাঙালির জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতার মহান স্থ’পতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধাপে ধাপে বহু আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে মুক্তিসংগ্রামের জন্য প্রস্তুত করেন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

“তাঁরই আহ্বানে গোটা জাতি মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে চূড়ান্ত বিজয়। হানাদারবাহিনী তাদের নিশ্চিত পরাজয় আঁচ করতে পেরে জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন উদ্দেশ্যে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদর-আল শামস বাহিনীর সহযোগিতায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ বহু গুণীজনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

জাতি হারায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে এ এক কলঙ্কজনক অধ্যায়, বলেন আবদুল হামিদ।