হাফিজ উদ্দিন ও শওকত মাহমুদকে বিএনপির শোকজ

◷ ১:২০ অপরাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০২০ জাতীয়
hafiz

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বিএনপির দুই ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিক শওকত মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সোমবার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত করে সংগঠনের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সে বিষয়ে শওকত মাহমুদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এবং হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে পাঁচ দিনের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত জবাব জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

হাফিজ উদ্দিনকে পাঠানো নোটিসে বলা হয়, ১/১১ এর সময়ে দলকে বিভক্ত করে মহাসচিব হওয়ার পরও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমা করে ভাইস চেয়ারম্যানের মত পদ দিয়েছিলেন হাফিজকে।

এরপরও বিভিন্ন সময়ে দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে দায়িত্ব দেওয়া হলে তা করতে অপরাগতা প্রকাশ করা, কৃষক দলের মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তিনি তা করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অবজ্ঞা করে বক্তব্য প্রদান করেছেন বলে মনে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এ সব অভিযোগের কারণেই মূলত তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। আর এ নোটিশের বিষয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বলেও জানান রিজভী।

এদিকে বিএনপির আরেক ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়, শওকত মাহমুদ দলের নাম ব্যবহার করে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করে সংগঠনের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন-এমন সুস্পষ্ট অভিযোগ পেয়েছে বিএনপি।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে দলের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করছেন। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের তিনি পানি সম্পদমন্ত্রী ছিলেন।

শওকত মাহমুদকে ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়। এর আগে তিনি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।

শওকত মাহমুদ বিএনপির সমর্থিত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিএনপি সমর্থিত সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদেরও ভারপ্রাপ্ত আহবায়কও তিনি।