সংবাদ শিরোনাম

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ ওয়ানডে দল ঘোষণামানবতার হাত বাড়ালেন ঝালকাঠির যুবক “ছবির”টাঙ্গাইলে বিএনপি মেয়র প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারনায় ছাত্রদলের একাংশবাউফলে ট্রলির ধাক্কায় শিক্ষক নিহতলালমনিরহাটে তিস্তা নদী পুনরুদ্ধার ও তিন বিঘা এক্সপ্রেস চালুর দাবিতে মানববন্ধনটাঙ্গাইলে আ’লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী মতবিনিময় সভাসুপেয় পানির চাহিদা মেটাতে সুন্দরবনে ৮৮টি পুকুর পুনঃখনন করা হচ্ছে‘বিএনপির প্রার্থীরা সকালে বলে ভোট সুষ্ঠু, সন্ধ্যায় বলে কারচুপি হয়েছে’মুই মরলে লাশ দাফন করার কাও নাই: রমিচা বেওয়াপাবনার ফরিদপুরে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে  হত্যা

  • আজ ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সরকারি কর্মকর্তারা রাজপথে কেন? প্রশ্ন রিজভীর

◷ ৪:১৪ অপরাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০২০ ঢাকা
rezvi

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানানোয় সরকারি কর্মকর্তাদের সমালোচনা করেছে বিএনপি।

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংবিধানের কথা বলে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ– এমনকি বিচারকরাও রাজপথে নেমে এসেছেন। রাজপথে সরকার ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এমন ভূমিকা দেখে জনগণ ভীত, সন্ত্রস্ত, আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, ‘নাগরিক সমাজে বিদ্যমান নানা পক্ষের বিবাদ মিমাংসার জন্য মানুষ আদালত ও প্রশাসনেরই শরণাপন্ন হয়। তারাই যদি কোনো এক পক্ষ নিয়ে রাস্তায় নামে তাহলে অন্য পক্ষের কথা কে শুনবে? তাহলে ন্যায়বিচার বলে তো কিছু থাকবে না। একদলীয় শাসনে যেমন একদলীয় চেতনাই রাষ্ট্রের সবখানে প্রতিফলিত হয়, সেটিরই প্রতিচ্ছবি দেখা গেল বিচারক ও প্রশাসনের ব্যক্তিদের রাজপথে নামার মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশে চলছে এক ব্যক্তির নিষ্ঠুর জমিদারি শাসন।’

রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনা গায়ের জোরে আজীবন ক্ষমতায় থাকার গভীর দুরভিসন্ধি পূর্ণ করতে চাচ্ছেন। এখন তার দলের নেতারা প্রকাশ্যে তাদের নেত্রীর অভিলাষের কথা বলে বেড়াচ্ছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ গত শনিবার বলেছেন, “শেখ হাসিনা যতদিন শারীরিকভাবে সক্ষম থাকবেন, ততদিন তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবেন”। এর আগে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, “আজীবন ক্ষমতায় থাকবেন শেখ হাসিনা”। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, “শেখ হাসিনা আমৃত্যু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন”। আমরা মনে করি রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদে থেকে তাদের এই বক্তব্য অসাংবিধানিক ও সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল।’

তিনি বলেন, ‘একটি সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে তাদের পবিত্র দায়িত্ব সংবিধান সমুন্নত রাখা। সরকার যদি মনে করে, দেশে কোনো নাগরিক সংবিধানবিরোধী কাজ করছে তাহলে সংবিধান সমুন্নত রাখতে তাদের আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সেটি না করে তারা কী দাবি নিয়ে রাজপথে নামলেন? জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার বিরুদ্ধে মাঠে নামলেন? কার কাছে দাবি জানালেন? কাকে হুমকি দিলেন? কাকে প্রতিপক্ষ বানালেন?’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ক্ষমতা-শক্তি-বন্দুক-আইন-আদালত সব কিছু নিজেদের মতো করে জবর দখলে রেখে সরকার, প্রশাসন আর ক্ষমতাসীন দল সব এখন মিলেমিশে একাকার। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, এমন ক্ষমতা হিটলার ও মুসোলিনিরও ছিল। কিন্তু ইতিহাসে তারা এখন নিষিদ্ধ নাম।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, দলের যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।