সংবাদ শিরোনাম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তরোহিঙ্গা শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় নারীসহ দু’জন গ্রেপ্তারবেলকুচিতে দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !জামালপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেফতার মাদ্রাসার শিক্ষক‘করোনাকালের নারী নেতৃত্ব: গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’বগুড়ায় শিক্ষা প্রনোদনা পেতে প্রত্যয়নের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগজামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবনপাবনায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার-২উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে ‘পেটালেন’ কাদের মির্জা!কে কত বড় নেতা, সবাইকে আমি চিনি: কাদের মির্জা

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু টি-২০’র চ্যাম্পিয়ন জেমকন খুলনা

৮:৫৭ অপরাহ্ন | শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৮, ২০২০ খেলা
khulna

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনাল ম্যাচে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে ৫ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিলো জেমকন খুলনা। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৫৫ রান তোলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫০ রান তোলে মোহাম্মদ মিঠুনরা।

শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। দিনের শুরুটা ভালো ছিলো না খুলনার। ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলেই উইকেট খোয়ায় ওপেনার জহুরুল ইসলামকে তুলে নেন নাহিদুল ইসলাম।

দ্বিতীয় উইকেটে নামা ইমরুল কায়েসও এদিন ব্যর্থ। মাত্র ৮ রানে নাহিদের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। আরিফুল হককে সঙ্গে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার জাকির হাসান। কিন্তু তারাও সুবিধা করতে পারেননি। জাকির ২৫ এবং আরিফুল করেন ২১ রান।

বিপর্যয়ে পড়া দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। একাই লড়াই চালিয়ে যান তিনি। যোগ্য সঙ্গীর অভাবে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে না পারলেও লড়াইয়ের পুঁজি নিয়েই মাঠ ছাড়েন ৭০ রানে অপরাজিত থেকে।

খুলনার দেওয়া দেড়শ’ ছাড়ানো রান তাড়া করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। কিন্তু দলের ২৬ রানে ব্যক্তিগত ১২ করে সৌম্য সরকার ফিরতেই চাপে পড়ে যায় তারা। এরপরই অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ফিরে যান ৭ রান করে।

মেরে খেলতে পছন্দ করা লিটন দাসের কাঁধে বাড়ে চাপ। সেই চাপ সামাল দিয়ে ২৩ বলে ২৩ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। তাকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য সৈকত আলী থাকলেও সুযোগটা নিতে পারেননি লিটন। ৫১ রানে ৩ উইকেট হারানো চট্টগ্রামকে এরপর আশা দেন শামসুর রহমান।

কিন্তু তিনিও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ২১ বলে ২৩ রান করে পেসার মাহমুদুল হাসানের বলে সাজঘরে ফেরেন। তবে সৈকত আলী একদিতে ছিলেন অবিচল। ২৭ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার খেলেন ৪৫ বলে ৫৩ রানের ভালো ইনিংস।

কিন্তু তার ধীর গতির ওই ইনিংস কাল হয়েছে চট্টগ্রামের। ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিনিসার রোল প্লে করা মোসাদ্দেক হোসেনও করতে পারেননি বড় কিছু। শেষ ওভারে ফিরে যান ১৪ বলে ১৯ রান করে।

জয়ের জন্য শেষ ৪ ওভারে ৪৭ রান দরকার ছিল চট্টগ্রামের। ১৭তম ওভারে মাত্র ৭ রান দেন জাতীয় দলের পেসার আল আমিন হোসেন। তবে পরের ওভারে ১১ রান খেয়ে বসেন শহিদুল ইসলাম। শেষ দুই ওভারে ২৯ রানের লক্ষ্য দাড়ায় সৈকতদের সামনে। তরুণ পেসার মাহমুদ হাসানের করা ১৯তম ওভার থেকে তারা তুলে নেয় ১৩ রান।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দাঁড়ায় মোসাদ্দেক-সৈকতের সামনে। কিন্তু ওই রান তাড়া তুলতে পারেননি। বরং শহিদুলের করা ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে আউট হয়ে ফেরেন দু’জনই। শেষ বলে নাহিদুল তাই ছক্কা হাঁকালে হারের ব্যবধান কমে চট্টগ্রামের।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

জেমকন খুলনা: ১৫৫/৭ (২০ ওভার)

(জহুরুল ০, জাকির ২৫, ইমরুল ৮, আরিফুল ২১, মাহমুদউল্লাহ ৭০*, শুভাগত ১৫, শামীম ০, মাশরাফি ৫, শহীদুল ১*; নাহিদুল ২/১৯, শরিফুল ২/৩৩, রাকিবুল ০/১৯, মোসাদ্দেক ১/২০, মোস্তাফিজ ১/২৪, সৌম্য ০/৩৯)।

গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম: ১৫০/৬ (২০ ওভার)

(লিটন ২৩, সৌম্য ১২, মিথুন ৭, সৈকত আলী ৫৩, শামসুর ২৩, মোসাদ্দেক ১৯, নাহিদুল ৬*, নাদিফ ১*; মাশরাফি ০/৪০, শুভাগত ১/৮, আল-আমিন হোসেন ১/১৯, হাসান মাহমুদ ১/৩০, আরিফুল ০/১৮, শহীদুল ২/৩৩)।

ফল: ৫ রানে জয়ী জেমকন খুলনা।

ম্যাচসেরা: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (জেমকন খুলনা)।