সংবাদ শিরোনাম

মেয়রসহ ৫ প্রার্থীর নামে মামলা, স্বশিক্ষিত-স্বাক্ষরজ্ঞান একাধিকপ্রথম টিকা প্রধানমন্ত্রীর নেয়া উচিত, আস্থা জন্মাবে: ডা. জাফরুল্লাহপ্রেম করে বিয়ে, একদিন পর বাসর ঘরে মিলল কলেজ ছাত্রীর লাশপ্রথম দিনেই মুসলিম নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়াসহ ১৫ আদেশ বাইডেনেররাজশাহীতে সার্জেন্টের উপরে হামলাকারী বেলাল গ্রেফতার২০ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার নৌবাহিনীউচ্চকক্ষ সিনেটেও জুসেপ্পের নিরঙ্কুশ বিজয়, রাজনৈতিক সংকটের অবসানচাঁদপুরের মতলব উত্তরে ১৪৪ ধারা জারিজমি সংক্রান্ত বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন খুন!টাঙ্গাইলে রাতের অন্ধকারে অতর্কিত হামলায় কলেজ ছাত্র নিহত

  • আজ ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে কোরআনে হাফেজ হলো চার কিশোর

◷ ৩:১৬ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, ডিসেম্বর ২০, ২০২০ প্রবাসের কথা
hafej

প্রবাসের কথা ডেস্ক- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে চার মুসলিম কিশোর কোরআনে হাফেজ হয়েছেন। তারা হলেন- হাফেজ মুহাম্মাদ তামজিদ ইসলাম, হাফেজ উসমান আলী, হাফেজ শাফীন সাঈদ ও হাফেজ মীরান খান।

হিফজ সমাপণকারী এ চারজনই নিউইয়র্কের স্বনামধন্য দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আন-নূর কালচারাল সেন্টারের শিক্ষার্থী। আন-নূরের হিফজ বিভাগ থেকে তারা পবিত্র কোরআন হিফজ করেন।

সম্প্রতি আন-নূর কালচারাল সেন্টারের হলরুমে এক অনুষ্ঠানে তাদের বিশেষ পাগড়ী ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন-নূর কালচারাল সেন্টারের প্রিন্সিপাল ও আন-নূর মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ ইসমাইল।

প্রধান অতিথি ছিলেন আল- নূর কালচারাল সেন্টারের উপদেষ্টা মুফতি মুহাম্মদ আবদুল্লাহ। উপস্থিত ছিলেন, মুফতি উবাইদুল্লাহ, মুফতি মুজিবুর রহমান, মুফতি নাসিরুল্লাহ, মুফতি মুয়াযুল ইসলাম চৌধুরীসহ স্থানীয় আলেম-ওলামা ও বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্যরা।

আন-নূর কালচারাল সেন্টারের হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক মুফতি আবু তাহের সিদ্দিকী জানান, করোনা মহামারির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠানটি ছোট আকারে করা হয়েছে।

তবে সেন্টারে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, শুভাকাঙ্খী, প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঘরে বসে অংশগ্রহণের সুবিধার্থে গ্রাজুয়েশন প্রোগ্রামটি নিউইয়র্কের টিভি ‘মিডিয়া টাইম টেলিভিশন’, তাদের ইউটিউব ও ফেসবুক পেইজে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

এছাড়া এ বছরের শুরুতে নিউজার্সির সমারসেটে মারইয়াম নামে একটি মেয়ে কুরানের হাফেয হয়। ২০০৬ সালের মার্চে জন্ম হয় তার। ছোট থেকেই তার মধ্যে অন্যরকম এক ক্ষমতা আবিষ্কার করতে পারে বাবা-মা। মুখস্থ রাখার অসামান্য ক্ষমতা ওর। মা শাকিলা ধর্মপ্রাণ একজন মানুষ। তিনি বেশ সময় দেন মেয়েকে। মূলত তার কারণে নয় বছর বয়সে কোরআনে হাফেজ হয় মারইয়াম।

এর আগে মাত্র আট বছর বয়সে ইকনা কনফারেন্সে প্রায় ২০ হাজার মানুষের সামনে কোরআন তিলাওয়াত করে সে চমকে দেয় সবাইকে। মারইয়ামের কণ্ঠের গভীরতা ও মাধুর্য সবার হৃদয়কে স্পর্শ করে। বিশ্বজুড়ে এখন তার লাখ লাখ অনুসারী। পৃথিবীর যে প্রান্তেই যায়, হাজার হাজার মানুষ ভিড় করে তাকে এক নজর দেখার জন্য।