ভারতও রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসন চায়: দোরাইস্বামী

◷ ১০:৪৪ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, ডিসেম্বর ২০, ২০২০ চট্টগ্রাম
bikrom

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান বাংলাদেশের মতোই উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন, আমরাও চাই বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের একটি নিরাপদ, দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবর্তন।

রোববার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

দোরাইস্বামী বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে। এটা প্রশংসার দাবি রাখে। রোহিঙ্গাদের এখানে রাখার জন্য যে সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়েছে তা চমৎকার।

“এটা একদম পরিষ্কার, আমরা মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসন চাই। সবক্ষেত্রে ভারতের সহযোগিতা থাকবে।”

রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত যাওয়া বাংলাদেশের সমাজ ও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মেনে নেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার বিষয় নিয়েও দোরাইস্বামীকে প্রশ্ন করেন।

তিনি বলেন, “সীমান্তে অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার ৯৫ শতাংশ ঘটে ভারতের সীমান্ত এলাকায়। ৮৭ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে রাত ১০টার পরে। এসময় অবৈধ অনুপ্রবেশও ঘটে।”

এসব ঘটনা বন্ধে সীমান্তে বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উদ্যোগ নেওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন ভারতের হাই কমিশনার।

এদিন ঢাকায় বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবির প্রধান মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামও বলেন, সীমান্তের জনগণকে সচেতন এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারলে সীমান্ত হত্যা কমবে বলে মনে করেন তিনি।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ।

পরে নগরীর পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব পরিদর্শনে যান তিনি। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দেওয়ার স্থান ঘুরে দেখেন এবং প্রীতিলতার ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।

এ সফরে সকালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও চিটাগাং চেম্বারের ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন তিনি।