• আজ ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পার্লামেন্ট ভাঙতে বললেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

◷ ১১:১২ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, ডিসেম্বর ২০, ২০২০ আন্তর্জাতিক
oli

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নেপালে রাজনৈতিক সঙ্কট ক্রমেই বেড়ে চলেছে। রবিবার সকালে একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। আর তারপরই সরকার ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব দেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি।

শনিবার দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বেশ কয়েক দফা বৈঠক করেন তিনি। এরপরই রবিবার সকালে ডাকা হয় মন্ত্রিপরিষদের জরুরি বৈঠক। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এখন পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হোক।’

নেপালের সাবেক মাওবাদী বিদ্রোহীদের সঙ্গে গড়া জোটের নেতৃত্ব দিয়ে ২০১৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক জয় পেয়েছিলেন ওলি। কিন্তু নিজ দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টিকে এড়িয়ে অন্তরঙ্গ একটি উপদলকে নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধান পরিষদীয় আইনের অধ্যাদেশের বিষয়টি নিয়ে চাপ বাড়ছিল কেপি শর্মা ওলির ওপর। গত মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারীকে দিয়ে তা সই করিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তা ছাড়া বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছিল।

নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা বিষ্ণু রিজাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন। পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য ২০২২ সালে নেপালের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। মন্ত্রিসভা সুপারিশ করায় প্রেসিডেন্ট ভান্ডারির হাতে এখন পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচন ডাকার সুযোগ সৃষ্টি হল। কিন্তু নেপালের সংবিধানে মন্ত্রিসভার সুপারিশের ভিত্তিতে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া বিষয়টি না থাকায় বিরোধীরা আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।