ফরিদপুরে হঠাৎ করেই জেঁকে বসেছে শীত

◷ ১:১৬ অপরাহ্ন ৷ সোমবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২০ রাজশাহী
শীত

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে হঠাৎ করেই জেঁকে বসেছে শীতের তীব্রতা। এর ফলে মাঝারিভাবে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। তবে সন্ধ্যার পর কুঁয়াশা আর ঠান্ডার কারণে কেউ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেনা। শীতের মাত্রা রাতেই বেড়ে গিয়ে সূর্য না ওঠা পর্যন্ত ঠান্ডা বেশি থাকে। শীতের হিমেল পরশে জবুথবু মানুষ।

রোববার দিনভর অনেকটা কুয়াশায় ঢাকা ছিলো জেলার বেশিরভাগ এলাকা। হাড় কাঁপানো ও কনকনে শীতে ব্যহত হয়েছে ছিন্নমূল মানুষের জীবনযাত্রা। তবে বেশি বিপদে পড়েছে জেলার শ্রমজীবী মানুষেরা। শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষের পাঁশাপাশি গবাদি পশুসহ অন্যান্য প্রাণীও কাহিল হয়ে পড়ছে।

সারাদিন সূর্যের মুখ দেখা দিলেও তাপমাত্রা তেমন ছিল না। রাস্তা-ঘাট ছিলো হালকা কুঁয়াশার চাদরে ঢাকা। সেইসঙ্গে আকাশ ছিল কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন।

সকালের দিকে কুঁয়াশার কারণে অনেক যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। শীতের কারণে রাস্তা-ঘাট এবং হাট-বাজারে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি কম ছিল।

গত দুইদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। শীত ঋতুর পৌষ মাসের প্রথম দিকে এসে আবারো শীতের প্রকোপ বেড়েছে। দিনমুজুর ও শ্রমজীবী মানুষকে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এসব মানুষ অনেকই ঘর থেকে বের হতে পারেনি। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের কষ্ট করতে হয়েছে।

অপরদিকে শীতের প্রকোপ বদ্ধি পাওয়ায় সারাদিন ফরিদপুর শহরের গরম কাপড়ের দোকানে ছিন্নমূল মানুষসহ সব শ্রেণীর পেশার মানুষের ভিড় ছিল লক্ষ্যনীয়। আর এ সুযোগে দোকানিরা গরম কাপড়ের দাম খানিকটা বাড়িয়ে দিয়েছেন।

ফরিদপুর আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার ফরিদপুরের সর্বনিম্ম তাপমাত্রা ছিল ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ১৪.০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে হয়েছে। আকাশে হালকা মেঘ ও কুঁয়াশা থাকায় ঠান্ডা আরো বেড়ে যায়।