সংবাদ শিরোনাম

 ত্রিশালে সাব্বিরকে সহয়তার হাত বাড়াল রকিব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনআড়াইহাজারে ১২ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন উদ্ধার,  চালক ও হেলপার আটকভূঞাপুরে খানাখন্দে ভরা ৮০০ মিটার সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের লাখো মানুষকোটালীপাড়ায় ফের অগ্নিকান্ড, ৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাইজামালপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত টাঙ্গাইলে বাসের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ৮ যাত্রী আহতইশরাকের খালাসের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করল দুদকভারত কিছু ভ্যাকসিন বাংলাদেশকে উপহার দেবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রীওয়ালটন ল্যাপটপ কিনে ১০০% ক্যাশব্যাক পেলেন ফ্রিল্যান্সার নাজমুলসিরাজগঞ্জে কাউন্সিলর হত্যা মামলায় আটক-১

  • আজ ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ভারতে ধর্মের কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না: মোদি

◷ ৯:৫৯ অপরাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২২, ২০২০ আন্তর্জাতিক
modi

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘ভারতের মাটিতে ধর্মের কোনো বিভেদ নেই। ধর্মের নামে এদেশে কাউকে কোনো সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস এই স্লোগানে ভর করেই এগিয়ে চলেছে আজকের ভারত।’

মঙ্গলবার ভারতের ঐতিহ্যবাহী আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) শতবর্ষ উদযাপনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

১৯৬৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী শেষবার আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর থেকে ভারতের আর কোনো প্রধানমন্ত্রী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। দীর্ঘ ৫৬ বছর পর মোদি তা করলেন। সমাবর্তনে ভিডিওকলের মাধ্যমে যোগ দিয়ে বক্তব্য দেন তিনি।

মোদি বলেন, ‘ধর্ম সমাজের একটি অংশ। তবে একমাত্র দিক নয়। ভারতের উন্নতিতে কিছু অশুভ শক্তি বাধা দিচ্ছে। কিন্ত আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় বরাবরই আধুনিক মুসলিম সমাজ গঠনে কাজ করে চলেছে।’

মোদি বলেন, ‘আমাদের সরকার তিন তালাক প্রথা বাতিল করে আধুনিক মুসলিম সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মুসলিম নারীদের ক্ষমতায়নে বিশেষ জোর দিচ্ছে ভারত সরকার। আপনারা যদি দেখেন, সরকার গেল ছয় বছরে প্রায় ১ কোটি মুসলিম নারীকে বৃত্তি দিয়েছে। লিঙ্গের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য হওয়া উচিত নয়, প্রত্যেকের সমান অধিকার রয়েছে এবং সবারই দেশের উন্নয়নের সুবিধা পাওয়া উচিত।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ভারতের দিকে এখন সারা বিশ্ব চেয়ে রয়েছে। প্রতিটি নাগরিককে ধর্মের বিভেদ ভুলে দেশের উন্নতিতে অবদান রাখতে হবে। ভারতের সৌন্দর্য ও ব্যাপ্তি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তুলে ধরাটাই শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব। সেই সঙ্গে নিজেদের সম্মান বাড়াতে হবে।’