সংবাদ শিরোনাম

বয়স ১০০ ছুঁইছুঁই, দুলি খাতুনের ভাগ্যে কবে জুটবে বয়স্ক ভাতা?ওয়ান শুটারগান ও গুলিসহ আনোয়ারার গেট্টু নাছির গ্রেপ্তারপ্রয়োজনে আরও ভ্যাকসিন কেনা হবে: প্রধানমন্ত্রীটাঙ্গাইলে যৌন হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক বরখাস্তজামালপুরে বাগানে মিলল তরুণীর ঝুলন্ত লাশ, মৃত্যু নিয়ে রহস্যসুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার হয়ে স্কুলছাত্রীর আত্নহত্যাভোটের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে আন্দোলনে নামবে জাতীয় পার্টি: বাবলুরাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে তাবিথকে ‘বাধা’গাজীপুরে সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে অবস্থান ধর্মঘটচমেকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, ব্যাপক ভাঙচুর

  • আজ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ

৬:৩৮ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০২০ রাজশাহী

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা, বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরের সুঘাট ইউনিয়নের জোড়গাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫টি গাছ জোর করে কেটে নেওয়ার চেষ্টায় বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন সুঘাট ইউনিয়নের সেক্রেটারি আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

২৩ ডিসেম্বর বুধবার বিকেলে জোড়গাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিমপার্শে¦র গাছগুলো কাটা হয়।

জোড়গাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানী জানান, সারা দেশে ১৯৯০ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলোতে বিভিন্ন প্রজাতির ১০০টি করে গাছ রোপনের জন্য বরাদ্দ দিয়েছিল শিক্ষা অধিদপ্তর। সেই সময়ে লাগানো গাছগুলো জোড়গাছা গ্রামের মৃত সিরাজ সেখের ছেলে আহসান হাবীব ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কাউকে তোয়াক্কা না করে গাছগুলো কেটে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উপস্থিত হয়ে গাছ কাটায় বাধা দেন।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমা খাতুন জানান, স্কুল বন্ধ থাকায় স্কুলে কেউ না থাকার সুযোগে গাছগুলো কেটে নেওয়ার চেষ্টা করে। আমি উপবৃত্তির কাজে স্কুলে এসে দেখি গাছগুলো কাটা হচ্ছে। তখন বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবগত করেছি।

প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জানান, আমাকে প্রধান শিক্ষক বলার পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়।

আহসান হাবীবের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে গাছটি নিজের বলে তিনি দাবী করেন।

এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাঃ মীনা পারভীন জানান, গাছ কাটার কথা আমি শুনেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।