সংবাদ শিরোনাম

মিনুসহ বিএনপির চার নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আবেদনআত্মহত্যার ২ মাস পর ছড়ানো হলো স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও, অভিযুক্ত পলাতকচট্টগ্রাম কারাগার থেকে পালানো আসামি রুবেল নরসিংদীতে গ্রেপ্তারবাস থেকে নারীকে ছুড়ে ফেলা সেই চালক-হেলপার গ্রেফতারছাগল চুরির ঘটনায় জড়িত নন- সংবাদ সম্মেলনে দাবি সেই ছাত্রলীগ নেতারযতদিন বেঁচে আছি, আমার এলাকার একটি লোক না খেয়ে থাকবে না: জেএইচএম ডিএমডিটেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২, সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধারশাহজাদপুরের খুকনী ইউনিয়ন আ.লীগের সম্মেলনে সভাপতি শাহজাহান, সম্পাদক আফাজহাজি সেলিমের আপিলের রায় পড়া শুরুফতুল্লায় গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে আগুন, একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে কটেজে অভিযান, যৌনকর্মী-খদ্দেরসহ আটক ৫২

৪:৩৯ অপরাহ্ন | শনিবার, জানুয়ারী ৯, ২০২১ চট্টগ্রাম
cox_pic4

সময়ের কণ্ঠস্বর, কক্সবাজার- কক্সবাজার শহরের কলাতলী আবাসিক কটেজ থেকে ৫২ জন নারী-পুরুষকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (০৮ জানুয়ারি) বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনের লাইট হাউজ এলাকায় তিনটি কটেজে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৩১ জন নারী ও ২১ জন পুরুষ রয়েছে।

পুলিশ বলছে, আটক এসব নারী-পুরুষ কটেজগুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত রয়েছে। এ সময় একটি কটেজ থেকে ইয়াবাও উদ্ধার হয়েছে।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গত অর্ধমাস ধরে হোটেল মোটেল জোনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নজরদারিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায়। যার ভিত্তিতে শুক্রবার বিকেল থেকে ৪টি কটেজে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে লাইট হাউজ স্বরণ এলাকার আমির ড্রিম প্যালেজ থেকে একজন কর্মচারী, সাতজন খদ্দের ও দুইজন যৌনকর্মীকে আটক করা হয়।

মিম রিসোর্ট থেকে একজন কর্মচারী, ১২ জন খদ্দের ও ১৭ জন যৌনকর্মীকে আটক করা হয়। এ ছাড়া আজিজ গেস্ট ইন থেকে ১০ জন খদ্দের ও দুই যৌনকর্মীকে আটক করা হয়। এখান থেকে ৩৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের বিষয়টি বুঝতে পেরে একটি কটেজ থেকে গোপন পথ দিয়ে সবাই পালিয়ে যায়।

অভিযান প্রসঙ্গে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মককর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, ‘হোটেল-মোটেল জোনে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। প্রতিদিন এভাবে ঝটিকা অভিযান চলবে। অভিযানে আটক সকলের বিরুদ্ধে মাদক পাচার আইনের মামলা রুজু করা হবে। মামলায় কটেজ মালিকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পর্যটন শহরের মাদক, জুয়া, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অচিরেই পর্যটন শহরকে সব ধরনের অপরাধমুক্ত করা হবে। এ ছাড়া যানজট পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রাখা হবে। এজন্য কাজ করে যাচ্ছে জেলা পুলিশ। কোনো অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।’