সংবাদ শিরোনাম

বয়স ১০০ ছুঁইছুঁই, দুলি খাতুনের ভাগ্যে কবে জুটবে বয়স্ক ভাতা?ওয়ান শুটারগান ও গুলিসহ আনোয়ারার গেট্টু নাছির গ্রেপ্তারপ্রয়োজনে আরও ভ্যাকসিন কেনা হবে: প্রধানমন্ত্রীটাঙ্গাইলে যৌন হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক বরখাস্তজামালপুরে বাগানে মিলল তরুণীর ঝুলন্ত লাশ, মৃত্যু নিয়ে রহস্যসুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার হয়ে স্কুলছাত্রীর আত্নহত্যাভোটের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে আন্দোলনে নামবে জাতীয় পার্টি: বাবলুরাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে তাবিথকে ‘বাধা’গাজীপুরে সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে অবস্থান ধর্মঘটচমেকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, ব্যাপক ভাঙচুর

  • আজ ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দুইমাসের সম্পর্ক ছিল আনুশকা-দিহানের

২:৩১ অপরাহ্ন | রবিবার, জানুয়ারী ১০, ২০২১ আলোচিত বাংলাদেশ
dihan

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান বলেছেন, মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনের সঙ্গে ফারদিন ইফতেখার দিহানের দুইমাস আগে থেকে সম্পর্ক ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ তথ্য জানা গেছে।

রোববার (১০ জানুয়ারি) ধর্ষণ-হত্যার তদন্তের অগ্রগতি জানাতে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

উপকমিশনার আরও বলেন, হাসপাতালের দেওয়া বয়সের উপর ভিত্তি করেই পুলিশ নিহতের বয়স প্রাথমিকভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পরে তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।

মামলার একমাত্র আসামি ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে ওই শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে। অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছেন।

হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার কলাবাগান ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যখন বুঝতে পারে আনুশকা আর বেঁচে নেই তখন সঙ্গে সঙ্গে তারা স্থানীয় কলাবাগান থানা পুলিশকে জানায়। হাসপাতালের কাছে থাকা টহল পুলিশ গিয়ে ফারদিনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আটক করে।