🕓 সংবাদ শিরোনাম

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে এরদোগানকরোনার টিকা ছাড়াই সুঁই পুশ করা সেই স্বাস্থ্যকর্মীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতিবিয়ের শুরু থেকেই স্বামী হানি সিং এর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ স্ত্রীর!তাহাজ্জুদ নামাজের অজু করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে বৃদ্ধার মৃত্যুভুঁইফোড় কমিটিঃ সেই দর্জি মনিরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাশুধু তুরস্ক নয়, গ্রিসেও ভয়াবহ দাবানল শুরু‘টিকা ছাড়া চলাফেরায় শাস্তি’র খবর সঠিক নয় : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়শুরু হচ্ছে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া, এবারে থাকছে যেসব পরিবর্তনগত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ময়মনসিংহে ২২ জন রাজশাহীতে ১৪ জনের মৃত্যুএকসাথে অবসরে ২৬ জন, সাজানো গাড়িতে পৌঁছে দেয়া হলো বাড়ি

  • আজ বুধবার, ২০ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ৪ আগস্ট, ২০২১ ৷

এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ ছাত্রলীগ নেতার বিচার শুরু

sylhet
❏ রবিবার, জানুয়ারী ১৭, ২০২১ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার চার্জ গঠন করেছেন আদালত।

আজ রোববার সকাল ১১ টায় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হকের আদালত আলোচিত এ ধর্ষণ মামলার চার্জ গঠন করে। এর মাধ্যমে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হলো।

এর আগে সকাল এগারোটায় কড়া নিরাপত্তায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার ৮ আসামিকে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এসময় অর্জুন লস্কর ও মাহবুবুর রহমান রনির জামিন এবং সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি ও রবিউল ইসলামের ডিসচার্জ আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি রাশিদা সাঈদা খানম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে পুলিশের প্রদান করা সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার এ চার্জশিটে আগেই অনাপত্তি জানিয়েছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম। এছাড়া স্বাক্ষিদের জেরা করে ন্যায়বিচারের আশা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

জানা যায়, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে (২০) দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী বাদী হয়ে মহানগর পুলিশের শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে ছয় আসামি ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ ও র‌্যাব। গ্রেফতারের পর তাদের পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

গত ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের আট নেতা-কর্মীকে অভিযুক্ত করে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে দল বেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয়।

আসামি রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আট আসামিই বর্তমানে কারাগারে আছেন।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন