ভারত কিছু ভ্যাকসিন বাংলাদেশকে উপহার দেবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

◷ ২:৩৭ অপরাহ্ন ৷ সোমবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২১ জাতীয়
jahid malek

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ভারত বাংলাদেশকে কিছু ভ্যাকসিন উপহার হিসেবে দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। পাশাপাশি ২৫-২৬ জানুয়ারির মধ্যে ভারত থেকে ভ্যাকসিনের প্রথম লট আসবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আজ সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা আশা করছি আগামী ২৫-২৬ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিনের প্রথম লট চলে আসবে। ভারত সরকার আমাদেরকে কিছু ভ্যাকসিন উপহারস্বরূপ দেবে। সেটাও আমরা আশা করছি যেকোনো সময় চলে আসবে। এর পাশাপাশি অন্যান্য যারা টিকা তৈরি করছে যেমন- রাশিয়া, সানোফি, মর্ডানা, ফাইজারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ’

উপহার হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে কী পরিমাণ ভ্যাকসিন দিচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারত কী পরিমাণ ভ্যাকসিন দিচ্ছে সেটার সংখ্যা এখনই বলতে পারবো না। তবে সেটা বেশ ভালো পরিমাণ। অল্প সময়ের মধ্যে চলে আসবে। প্রথম লট পাওয়ার আগেও উপহারের ভ্যাকসিন চলে আসতে পারে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ টিকা কিনবে চার ডলারে। বেক্সিমকোকে প্রতি ডোজে এক ডলার করে দেয়া হবে। ভারত সরকার যে দামে টিকা কেনার কথা ছিল, বাংলাদেশকেও একই দামে টিকা দেবে। তবে বাংলাদেশ যে দামে টিকা কিনছে, ভারত তার চেয়ে বেশি দামে কিনলেও বাংলাদেশকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না।’

মন্ত্রী বলেন, দেশে সফলভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে চিঠি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধের মতো ভ্যাকসিন দেয়ার কর্মসূচিতেও ভালো করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মাত্র একটি করোনা পরীক্ষার ল্যাব ছিল, বর্তমানে ২০০টি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী লকডাউন থাকায় পিপিই সংকট ছিল। বর্তমানে আমরা পিপিই রফতানি করছি। সকল কিছু অজানা থাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শে করোনা চিকিৎসা পদ্ধতি সাত ধাপে পরিবর্তন করা হয়েছে। শুরুতে আমাদের কিছু ঘাটতি থাকলেও অব্যবস্থাপনা ছিল না। তবে বেসরকারিভাবে কিছু অনিয়ম হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, যারা বিদেশ যাচ্ছেন আমরা তাদের করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে কোটির বেশি মানুষ চিকিৎসা সুবিধা নিয়েছে। এটি আমাদের একটি সফল কার্যক্রম। করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন থেমে নেই।

তিনি বলেন, দেশের পরীক্ষা স্থগিত থাকলেও মেডিকেল কলেজের সকল পরীক্ষা চলমান রয়েছে। চলতি বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা এপ্রিলে আয়োজন করা হবে। বর্তমানে হাসপাতালে ৮০ শতাংশ সাধারণ বেড ও ৬০ শতাংশ আইসিইউ খালি রয়েছে। সারাদেশে ২ হাজার করোনা রোগী এবং ২০০ জন আইসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছে।