সংবাদ শিরোনাম

শাহবাগে আটক শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশপুলিশের লাঠিপেটায় সড়ক ছাড়লেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ছাত্রীরানেশার ঘোরে মসজিদে ঢুকে ভাঙচুর, যুবক আটকটাঙ্গাইলে পিকআপ-ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ভায়রা নিহতফরিদপুরের দুই ভাইয়ের ৫ হাজার ৭০৬ বিঘা জমি ক্রোকের নির্দেশইউএনওকে বহনকারী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদেঝালকাঠিতে আলোচিত শাহাদাৎ হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবনলালমনিরহাট সীমান্তে ভারতীয় পুলিশের হাতে বাংলাদেশি যুবক আটকচুয়াডাঙ্গায় নিখোঁজের পর আখক্ষেত থে‌কে গৃহবধূর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধারপিলখানার শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • আজ ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

টিকা দেয়ার জন্য চারটি হাসপাতাল নির্বাচিত, শুরু কুর্মিটোলা থেকে

করোনা

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঢাকার চারটি হাসপাতালে প্রথম দফায় করোনাভাইরাসের টিকা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান।

মো. আবদুল মান্নান বলেন, টিকার কার্যক্রম শুরু হবে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে। এরপরে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকা দেয়া হবে। এরপর একযোগে সারা দেশে টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে ভারত থেকে উপহার হিসাবে পাঠানো ২০ লাখ টিকার ডোজ ঢাকায় পৌঁছবে।

এর আগে জানানো হয়েছিলো বুধবারই বাংলাদেশ পেয়ে যাবে উপহারের টিকা। পরে জানানো হয় একদিন পিছিয়ে গেছে তা।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের বরাত দিয়ে মান্নান জানান, তারা জানিয়েছে যে, আগামী ২৫শে জানুয়ারি বাংলাদেশের ক্রয় করা টিকার ৫০ লাখ ডোজ ঢাকায় আসবে। এসব টিকা তেজগাঁয়ের ইপিআই সংরক্ষণাগারে রাখা হবে।

সচিব বলেন, প্রথম মাসে ৬০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। তৃতীয় মাসে এরাই আবার দ্বিতীয় ডোজ পাবেন। প্রথম দিন কুর্মিটোলা হাসপাতালে ফ্রন্টলাইনারসহ ২৫ জনকে দেওয়া হবে টিকা। কুর্মিটোলা, কুয়েত মৈত্রী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরের দিন আরো ৫০০ জনকে দেওয়া হবে। পরে তাদের কয়েক দিন পর্যবেক্ষণ করে ফুল ফেসে টিকা প্রয়োগ শুরু হবে বলেও জানান সচিব।

হাসপাতালের বাইরে কেন্দ্র হবে না জানিয়ে মো. আবদুল মান্নান বলেন, হাসপাতালের বাইরে কোনো কেন্দ্র হবে না, কারণ সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ভ্যাকসিন নেওয়া সবাই টেলিমেডিসিনের আওতায় থাকবে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচার করা হবে। প্রতি টিমে দুজন ভ্যাকসিনেটর ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন, যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে তাদের টেলিমেডিসিন সুবিধা দেওয়া হবে। রাখা হবে ফলোআপে।

◷ ১:৫৬ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, জানুয়ারী ২০, ২০২১ ফিচার