🕓 সংবাদ শিরোনাম

ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ, হাঁকডাকে সরগরম মৎস্যঘাটকেউ খোঁজ রাখেনি, পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুতায়িত পাপেলের ভরসা এখন হুইল চেয়ারবগুড়ার শেরপুরে সাংবাদিকের বাড়ি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগজরুরি অবস্থা জারি করতে রাষ্ট্রপতির কাছে আইনজীবীর আবেদননোয়াখালথতে ঘরে আগুন দিয়ে নারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করেছে কিশোর গ্যাংওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন কাদের মির্জাবগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাকক্সবাজারে ফের পাহাড় ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যুশিশু শিক্ষার্থীরা যখন ক্রেতা-বিক্রেতা!কেরানীগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

  • আজ বুধবার, ১৩ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জুলাই, ২০২১ ৷

সুনামগঞ্জ পৌর মেয়রসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

nader
❏ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২১, ২০২১ সিলেট

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি- সুনামগঞ্জে প্রতারণার মাধ্যমে দুই রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট নেয়ার চেষ্টা মামলায় মেয়রসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে তারা হলেন, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (প্যানেল মেয়র-১) হোসেন আহমদ রাসেল, পৌরসভার সহকারী কর আদায়কারী পিযুষ কান্তি তালুকদার, পৌরসভার জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধক ও স্যানিটারি পরিদর্শক মোঃ সেলিম উদ্দিন ও সুনামগঞ্জ বারের আইনজীবী কাওসার আলম। তারা মামলার এজহারভুক্ত আসামি নন। পুলিশ অভিযোগপত্রে তাদের নাম যুক্ত করেছে।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) মামলার নির্ধারিত তারিখে বিচারক পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ এবং মামলার পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক আশেক সুজা মামুন।

২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল মামলায় গত বছরের ২১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এতে এজহারভুক্ত চার আসামি ছাড়াও অভিযুক্তদের তালিকায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া পাঁচজনের নাম যুক্ত করে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল দুই রোহিঙ্গা সুনামগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট কার্যালয়ে নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আলীপাড়া এলাকার বর্তমান বাসিন্দা হিসেবে (স্থানীয় কাউন্সিলর হোসেন আহমদ রাসেলের সুপারিশে পৌরসভা থেকে জন্ম সনদ নিয়ে) পাসপোর্ট করতে যায়। তাদের মধ্যে একজন নারী ছিলেন। তারা টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় চার ব্যক্তির সহযোগিতায় সুনামগঞ্জে আসে।

ঐদিন সকালে পাসপোর্ট করতে গিয়ে তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে বিকেলে আবার ছবি তোলা ও আংগুলের ছাপ দিতে পাসপোর্ট কার্যালয়ে গেলে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে দুই রোহিঙ্গা ও তাদের সহযোগী চার ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দেয় পাসপোর্ট কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

এই দিনেই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার তেরানগর গ্রামের মোঃ ফরহাদ আহমদ (৩৬), রামনগর গ্রামের মোঃ নূর হোসেন (২৩), সুজাতপুর গ্রামের মোঃ জসিম উদ্দিন (২৪) ও আমির উদ্দিনকে (২৩) আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের জন্ম সনদ প্রদান প্রক্রিয়ায় পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরসহ ওই কর্তকর্তারা যুক্ত। পরে সেটি সত্যায়ন করেছেন আইনজীবী কাওসার আলম।

গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়টি শুনেছি বলে জানান, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত। তিনি বলেন, যে ঘটনায় আমার বিরোদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে আমার সঙ্গে তার কোন সম্পৃক্তাই নেই। যখন এসব সনদপত্র দেয়া হয় তখন আমি ঢাকায় ছিলাম। ঐ সময় আমার অনুপস্থিতে তখন মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন পৌরসভার ১ নম্বর ওয়াডের কাউন্সিলর (প্যানেল মেয়র-১) হোসেন আহমদ রাসেল।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন