এবার একরামের বহিষ্কারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু মির্জার

৯:২৪ অপরাহ্ন | শুক্রবার, জানুয়ারী ২২, ২০২১ স্পট লাইট

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর বহিষ্কার, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বাতিল, অপরাজনীতি, টেন্ডারবাজি, চাকরি বাণিজ্য, মাদকসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে ‘লাগাতার অবস্থান’ কর্মসূচি পালন করছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে বসুরহাট জিরো পয়েন্ট বঙ্গবন্ধু চত্বরে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নুর নবী চৌধুরী, বসুরহাট পৌরসভা আওয়ামী লীগের উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেলসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে কটূক্তি করার প্রতিবাদে বসুরহাট রূপালী চত্বরে একরাম বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন মির্জা কাদের। এ সময় তিনি বলেন, ‘অনেক দিন অপেক্ষা করেছি। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশে বসুরহাট বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল থেকে আমাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছিলাম। আমরা কী বিচার পেয়েছি? একরাম চৌধুরী মাতাল অবস্থায় আমাদের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে চরম কটূক্তি করেছে। গতকাল বলেছিলাম আজকে প্রমাণ হয়েছে একরাম একজন মাতাল।’

তিনি বলেন, ‘যে নেতা (ওবায়দুল কাদের) সারা জীবন দলের জন্য জীবণ উৎসর্গ করেছে, স্বাধীনতা যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে, আজ সে নেতাকে “রাজাকার” পরিবারের সদস্য বলে কটূক্তি করে “কুলাঙ্গার, মাতাল” একরাম চৌধুরী।’

একরামকে দল থেকে বহিষ্কার, জেলা কমিটি বাতিল ও নোয়াখালীর অপরাজনীতি অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বসুরহাট বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে লাগাতার অবস্থান ধর্মঘট অব্যাহত রাখবেন বলেও ঘোষণা দেন আবদুল কাদের মির্জা। তিনি বলেন, ‘একরাম গরিব স্কুল, নোবিপ্রবির পিয়ন থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে। এগুলো যদি মিথ্যা হয়, গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনকে অনুরোধ করব আপনারা আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন।