🕓 সংবাদ শিরোনাম

কুরবানীর মাংস রান্না করার সময় ভেসে উঠলো আল্লাহর নাম!ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ, হাঁকডাকে সরগরম মৎস্যঘাটকেউ খোঁজ রাখেনি, পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুতায়িত পাপেলের ভরসা এখন হুইল চেয়ারবগুড়ার শেরপুরে সাংবাদিকের বাড়ি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগজরুরি অবস্থা জারি করতে রাষ্ট্রপতির কাছে আইনজীবীর আবেদননোয়াখালথতে ঘরে আগুন দিয়ে নারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করেছে কিশোর গ্যাংওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন কাদের মির্জাবগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাকক্সবাজারে ফের পাহাড় ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যুশিশু শিক্ষার্থীরা যখন ক্রেতা-বিক্রেতা!

  • আজ বুধবার, ১৩ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জুলাই, ২০২১ ৷

কারাগারেই নারীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান তুষার, সিসিটিভিতে ধরা


❏ শুক্রবার, জানুয়ারী ২২, ২০২১ স্পট লাইট

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: বন্দি হয়েও নিয়ম ভেঙে কারাগারের ভেতরে শুধু নারীর সঙ্গে সাক্ষাতই করেননি, কাটিয়েছেন দীর্ঘসময়। এমন ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় হলমার্ক কেলেঙ্কারির সাজাপ্রাপ্ত বন্দি তুষারের সঙ্গে কারাগারের ভেতরে দেখা করেন এক নারীসহ তিনজন। অবৈধভাবে এ সুযোগ করে দেন জেল সুপার রত্না রায়। তদন্ত কমিটি বলছে, ঘটনার সত্যতা পেয়েছে তারা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ৬ জানুয়ারি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ এ আটক হলমার্ক কেলেঙ্কারির হোতা মালিক তানভীরের ভায়রা কোম্পানির জিএম তুষারের সাথে এক নারী সাক্ষাৎ করেন। ডেপুটি জেলার সাকলাইন সাক্ষাতের অনুমতির জন্য ১২টা ২২ মিনিটে সুপারের রুমে প্রবেশ করেন। সুপারের রুম থেকে অনুমতি নিয়ে ১২টা ৪০ মিনিটে বের হন সাকলাইন। ১২টা ৫৬ মিনিটে ওই নারী কারাগারে প্রবেশ করেন।

সিসিটিভিতে দেখা যায় ডেপুটি জেলার সাকলাইন ১২টা ৫৭ মিনিটে কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করে ১টা ০৪ মিনিটে তুষারকে সাথে নিয়ে ওই নারীর সাথে সাক্ষাৎ করতে একটি কক্ষে নেন। ১টা ১৫ মিনিটে জেল সুপার কারাগার থেকে বের হয়ে যান। এরপর তুষার একটি কক্ষে প্রায় ৪৬ মিনিট সময় কাটায় ওই নারীর সাথে।

এ ঘটনায় কারাগারের জেল সুপার রত্না রায়ের সাথে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করেও তাকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে ডেপুটি জেলার সাকলাইন ক্ষিপ্ত হয়ে জানান, সুপার স্যারের অনুমতিতেই সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হয়।

তিনি বলেন, আমার কি ক্ষমতা আছে, জেলের ভেতর থেকে আসামি নিয়ে এসে গেট অর্ডার, যৌথ বাহিনী, হাবিলদার, সুবেদার আছে। আমি একাই আসামি নিয়ে আসলাম। এটা কি সম্ভব!

ভিডিও ফুটেজে আপনাকেই আসামি নিয়ে আসতে দেখা যাওয়ার বিষয়টি তুললে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমিই তো নিয়ে এসেছি। এটা তো অস্বীকার করছি না। আমাকে বলেছে তাই আমি আনতে গেছি। আমাকে না বললে তো আর আমি আনতে যেতাম না।’

এ ঘটনায় গাজীপুর জেলা প্রশাসকের অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করেছে জেলা প্রশাসক। তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে সাক্ষাতের বিষয়টির সত্যতা পেয়েছে বলে জানান গাজীপুরের জেলা প্রশাসক।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে তদন্ত হয়েছে। প্রতিবেদন আমাদের কাছে দেবেন। এরপর আমরা প্রকৃত সত্যটা বুঝতে পারবো। প্রথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি জেল থেকে ছাড়া পাওয়া এক যুবক অভিযোগ করেন, কারাগারের কর্মকর্তারা নানাভাবে নির্যাতন চালান।

তিনি বলেন, বস্তার ভেতরে ঢুকিয়ে ২০/২২ জন মিলে একসাথে মারধর শুরু করে। মারধর করার পরদিন দুজন লোক মারা গেছে। অথচ বলতেছে, এই লোকগুলো স্ট্রোক করে মারা গেছে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন