🕓 সংবাদ শিরোনাম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে নামলেদিন কাটে ভাঙা ঘরে, পঙ্গু মেয়ের জন্য একটি হুইল চেয়ারের আকুতি অসহায় মায়েরবিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে এরদোগানকরোনার টিকা ছাড়াই সুঁই পুশ করা সেই স্বাস্থ্যকর্মীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতিবিয়ের শুরু থেকেই স্বামী হানি সিং এর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ স্ত্রীর!তাহাজ্জুদ নামাজের অজু করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে বৃদ্ধার মৃত্যুভুঁইফোড় কমিটিঃ সেই দর্জি মনিরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাশুধু তুরস্ক নয়, গ্রিসেও ভয়াবহ দাবানল শুরু‘টিকা ছাড়া চলাফেরায় শাস্তি’র খবর সঠিক নয় : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়শুরু হচ্ছে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া, এবারে থাকছে যেসব পরিবর্তন

  • আজ বুধবার, ২০ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ৪ আগস্ট, ২০২১ ৷

পাগলা মসজিদের সিন্দুকে এবার দুই কোটি ৩৮ লাখ টাকা, মিলেছে স্বর্ণালঙ্কারও

money
❏ রবিবার, জানুয়ারী ২৪, ২০২১ ঢাকা

কামরুজ্জামান মিন্টু, ষ্টাফ রিপোর্টার- কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক খোলে ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫শ’ ৪৫ টাকা পাওয়া গেছে। এর আগে গতবছরের ২২ আগস্ট মসজিদের দান সিন্দুক খোলে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭১ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দান সিন্দুক খোলার পর গণনা শেষে বিকালে টাকার এই হিসাব পাওয়া যায়। এবারের দান সিন্দুক থেকে পাওয়া দানের হিসাবে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ টাকা।

বিপুল পরিমাণ দানের এই নগদ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা ও দান হিসেবে বেশ কিছু স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গেছে। বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কারও অন্যবারের চেয়ে পরিমাণে বেশি।

টাকা গণনার এই এলাহী কাণ্ড নিজ চোখে অবলোকন করতে শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ মসজিদে ছুটে যান।

সাধারণত তিন মাস পর পর পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক খোলা হয়। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এবার ৫ মাস ৪ দিন পর দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। করোনাকালে এর আগে গত বছরের ২২ আগস্ট ৬ মাস ৭ দিন পর দান সিন্দুক খোলা হয়েছিল।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ টাকা গণনা কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বলেন, শনিবার সকাল ১০টায় পাগলা মসজিদের আটটি দান সিন্দুক খোলা হয়। দান সিন্দুক থেকে টাকা খুলে প্রথমে বস্তায় ভরা হয়। এবার সবচেয়ে বেশি ১৪ বস্তা টাকা হয়েছে। মোট ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা পাওয়া গেছে। টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাগলা মসজিদের দান সিন্দুকে জমা পড়েছে।

তিনি আরো বলেন, কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে পাগলা মসজিদ অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান। শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে মাত্র ১০ শতাংশ ভূমির ওপর এই মসজিদটি গড়ে উঠেছিল। সময়ের বিবর্তনে আজ এ মসজিদের পরিধির সাথে সাথে বেড়েছে এর খ্যাতি ও ঐতিহাসিক মূল্যও। মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি অত্যাধুনিক ধর্মীয় কমপ্লেক্স এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রসারিত হয়েছে মূল মসজিদ ভবন।

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম জানিয়েছেন, পাগলা মসজিদের টাকা গণনার কাজ পরিদর্শন করেছি। পাগলা মসজিদকে একটি অন্যতম আধুনিক ইসলামিক স্থাপত্য হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশিষ্টজনসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে বসে এ ব্যাপারে করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

টাকা গণনার সময় জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ছাড়াও পাগলা মসজিদের খতিব মাওলানা আশরাফুল ইসলাম, পেশ ইমাম মুফতী খলিলুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকত উদ্দীন ভূঞা, রূপালী ব্যংকের এজিএম অনুফ কুমার ভদ্র প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন