🕓 সংবাদ শিরোনাম

মাইক্রোবাসে যাত্রী পরিবহন: চালক ও হেলপারকে কারাদন্ডকরোনায় ঝালকাঠির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সানিয়ার মৃত্যুময়মনসিংহ মেডিকেলে একদিনে মৃত্যু ১২, জেলায় নতুন আক্রান্ত ৪৪০ জনকুরবানীর মাংস রান্না করার সময় ভেসে উঠলো আল্লাহর নাম!ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ, হাঁকডাকে সরগরম মৎস্যঘাটকেউ খোঁজ রাখেনি, পল্লী বিদ্যুতের তারে বিদ্যুতায়িত পাপেলের ভরসা এখন হুইল চেয়ারবগুড়ার শেরপুরে সাংবাদিকের বাড়ি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগজরুরি অবস্থা জারি করতে রাষ্ট্রপতির কাছে আইনজীবীর আবেদননোয়াখালথতে ঘরে আগুন দিয়ে নারীসহ ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করেছে কিশোর গ্যাংওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন কাদের মির্জা

  • আজ বুধবার, ১৩ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জুলাই, ২০২১ ৷

১০ বছর ধরে পলিথিনে মোড়ানো ঘরে বসবাস, মাথা গোঁজার ঠাঁই চান রোকিয়ার পরিবার

house
❏ সোমবার, জানুয়ারী ২৫, ২০২১ ফিচার, ময়মনসিংহ

রকিব হাসান নয়ন, জামালপুর- জমিজমা নিয়ে বিরোধে হামলা ও মামলার শিকার হয়ে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে ১০ বছর আগে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে জামালপুর শহরে চলে আসেন রোকিয়া বেগম (৪৫)। কিন্তু এত বছরেও ভাগ্য তাদের দিকে ফিরে তাকায়নি। রাস্তায় ধারে স্বামী সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন রোকিয়া।

রোকিয়া বেগম সরিষাবাড়ী উপজলোর ডোয়াইল উইনিয়নরে দুলভিটি গ্রামের লোকমানের (গাদু) স্ত্রী।

জানা যায়, দীর্ঘ ১০ বছর আগে লোকমানের আপন ভাইয়ের সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা শুরু হয়। কিন্তু প্রভাবশালী ভাইয়ের সাথে লড়াই করে টিকতে না পেরে একপর্যায়ে পরিবার নিয়ে জামালপুর শহরে চলে আসেন লোকমান।

পরে ইট-পাথরে ঘেরা লাখো মানুষের শহরের মধ্যে তাদের ঠাঁই হয় ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে। রাস্তার কংক্রিট পিলারের সাথে বাঁশ লাগিয়ে পুরাতন কাপড় ও পলিথিন লাগিয়ে থাকার ছোট্ট একটি জায়গা করেছিলেন রোকেয়া। সেই ঘরেই এখন স্বামী-সন্তান নিয়ে তার বসবাস।

সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারপাশে পুরাতন কাপড়ের বেড়া। একপাশে পলিথিন দিয়ে মোড়ানো, উপরেও পলিথিন এবং পুরাতন কাপড় দিয়ে ছাউনি। কাপড়ের বেড়ার একাধিক জায়গা ছিদ্র। যা সচোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

কথা হয় রোকিয়া বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, এই জায়গায় প্রায় ১০ বছর ধরে আছি। খুব কষ্টেই জীবন চলে। একটা ছেলে দিন ১৫০-২০০ টাকা উর্পাজন করে। এই শীতের মধ্যে কি যে কষ্টে আছি বাবা তোমগোরে কিভাবে বলমু, একটা শীতের কাপড় নেই, রাতে বেলায় ঠান্ডা বাতাসে হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসে। মনে হয় “আমরা মইরা গেলে পাশে কেউ দাঁড়াবে না.!

রোকিয়া আরও বলেন, কয়েকদিন আগে পৌরসভায় দেখি মেয়র কম্বল দিতাছে, পরে আমিও গেছি, সবাইকে কম্বল দিল কিন্তু, আমাকে দিল না….! বলল আমার কাগজ নেই।

রোকেয়ার স্বামী লোকমান মিয়া (গাদু) বলেন, আমার জমিজমা ঘরবাড়ি সবই ছিল, এক সময় বাজারে বিভিন্ন শাক সবজি বিক্রি করতাম। আমার বড় ভাই আব্দুর রহমানের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। কিছুদিন পরে ভাই মারা যাওয়ার পরে মামলা চালায় ভাতিজা শাহিনুর রহমান। আমি বিভিন্ন নেতা মাতাব্বরদের কাছে গেছি কেউ এই বিষয় নিয়ে মিল করে দেয় নাই।

তিনি বলেন, বাড়ির লোকজন এখন আমারে জমিতে যাইতে দেয় না। দুই ভাতিজা আমায় মারার হুমকি দেয়। আমি এখন বাড়িতে যাবার চাই, মাথা গোজার একটা ঠাঁই চাই, সরকারের কাছে এটাই আমার জীবনের শেষ চাওয়া।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন